নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - রাতে বাড়ি ফিরছিলেন অধ্যাপক।রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে বাইক, হাতে মদের বোতল। প্রতিবাদ করতেই শুরু চড়, থাপ্পড়, ঘুষি।প্রকাশ্যে মদ্যপানের প্রতিবাদ জানানোই কাল হলো আদিবাসী অধ্যাপকের জন্য। একদল যুবকের হাতে আক্রান্ত হতে হলো তাঁকে। মারধর, চড়, থাপ্পড় খেয়ে কোনোমতে প্রাণে রক্ষা পান তিনি। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে আদিবাসী সংগঠন।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৪ আগস্ট রাতে। বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় যামিনী রায় কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মার্শাল সোরেন সেদিন রাত সাড়ে দশটা নাগাদ বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ভাড়া বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরতে গিয়ে দেখেন, রাস্তা আটকে কয়েকজন যুবক বাইক দাঁড় করিয়ে প্রকাশ্যে মদ্যপান করছে।অধ্যাপক যুবকদের প্রথমে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। সেই সঙ্গে প্রকাশ্যে মদ্যপান না করার কথাও বলেন। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে যুবকেরা। অভিযোগ, প্রথমে বচসা শুরু হয়, পরে একাধিক যুবক অধ্যাপকের উপর চড়াও হয়ে তাঁকে মারধর করে। চড়, থাপ্পড় ও লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি। কোনোমতে সেখান থেকে বেরিয়ে প্রাণে বাঁচেন অধ্যাপক।
এরপরই বেলিয়াতোড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। কিন্তু অভিযোগকারীর দাবি, পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সেই ক্ষোভেই মঙ্গলবার ধিক্কার মিছিল সংগঠিত করে আদিবাসী সংগঠন ‘ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল’।
সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক বিপ্লব সোরেন জানান, “অধ্যাপক মার্শাল সোরেনের ওপর যে নৃশংস হামলা হয়েছে, তার জন্য দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হব।”

অন্যদিকে, মার্শাল সোরেন নিজে ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, “আমি শুধু বলেছিলাম, রাস্তা ছেড়ে দিন এবং প্রকাশ্যে মদ্যপান করবেন না। কিন্তু তাতেই ওরা আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর করে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। প্রাণে বাঁচব কি না, সেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।”

এদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু আদিবাসী মানুষ বেলিয়াতোড়ে জমায়েত হন। তারা ধিক্কার মিছিল করে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। তাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে ও ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার ব্যবস্থা নিতে হবে।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর