নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা মিলছেনা রামনগর থানার অন্তর্গত দেপাল উপ ডাকঘরের গ্রাহকদের। বারংবার পোস্টমাস্টারকে জানিয়েও মেলেনি সুরাহা। যার জেরে মঙ্গলবার ডাকঘরের সামনে তীব্র বিক্ষোভে সরব হন তারা।
সূত্রের খবর , দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা সংকটে জর্জরিত রামনগর থানার অন্তর্গত দেপাল উপ ডাকঘর। এমআইএস ( মাসিক আয় স্কিম ) থেকে টাকা তোলা তো দূরের কথা , বিদেশ থেকে পাঠানো টাকাও তুলতে পারছেননা বহু গ্রাহক। লম্বা লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও অনেককেই ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। তার উপর প্রায় প্রতিদিনই ডাকঘরের দরজায় ঝুলছে পরিচিত সেই বোর্ড — ‘লিঙ্ক নেই’।
পরিষেবা পেতে এই দুর্বিষহ পরিস্থিতির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলার দিকে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কয়েকশো গ্রাহক। দেপাল হাটের পাশে একটি বহুতলের প্রথম তলায় অবস্থিত বহু পুরনো এই ডাকঘর ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তারা। ঘটনাস্থলে দ্রুত আসে রামনগর থানার পুলিশ। পরে ডাক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এসে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে বিকেলে উঠে যায় বিক্ষোভ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ , এপ্রিল মাস থেকে কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে দেপাল ডাকঘরের পরিষেবা। লিঙ্ক সমস্যা তো লেগেই রয়েছে , তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফর্মের অভাব , কর্মীদের অনিয়ম সহ গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার। একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও সমস্যার কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি।
এপ্রসঙ্গে রামনগর ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অনুপ কুমার মাইতি জানান , “প্রতিদিনই লাইনে দাঁড়িয়ে শুনতে হয় — ‘লিঙ্ক নেই’। এতে সময় সহ শ্রম দুইই নষ্ট হচ্ছে। অথচ ডাকঘরের পোস্টমাস্টার ঠিকভাবে কথা বলেন না। উলটে দুর্ব্যবহার করেন।”
এদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত দেপাল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গীতশ্রী মাইতি জানান , “আমরা চাই সাধারণ মানুষ যেন সঠিক পরিষেবা পান। পোস্টমাস্টার নিয়মিত দেরি করে অফিসে আসেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”
তবে অভিযোগ মানতে নারাজ স্থানীয় পোস্টমাস্টার কালিপদ বারিক। তিনি দাবি করেন , “একটু সমস্যা হচ্ছে ঠিকই , তবে কেন এত হাঙ্গামা হচ্ছে বুঝতে পারছি না। বিষয়টি আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা নিশ্চই এর একটা সুরাহা করবেন।''
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়