নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - প্রচার অভিযান চলাকালীন হঠাৎ দুষ্কৃতী হামলা। গাড়ি সহ প্রচার মাইক ভাংচুরের অভিযোগ। সিপিআইএম কর্মীদের মারধর করা হয়। হামলার পর পলাতক দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় শাসক দলের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছে সিপিআইএম। পলাতক দুষ্কৃতীরা। তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাগ দেবীপুর এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর , ঘটনাটি শান্তিপুর। থানার অন্তর্গত বাগ দেবীপুর এলাকার। হরিপুর অঞ্চল কমিটির তরফে বাংলা বাঁচাও অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে একটি চার চাকা গাড়ি নিয়ে সেই প্রচার অভিযান শুরু হয়। বাগ দেবীপুর এলাকায় সেই মিছিল ঢুকলেই একদল দুষ্কৃতী তাদের ওপর হামলা চালায়। গাড়ি আটকে ড্রাইভারকে মারধর করে। মাইক , গাড়ি সব ভাংচুর করা হয়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ সিপিআইএম কর্মীদের মারধর করা হয়। বেশ কয়েকজন ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়েও যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পরই সেখানে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। বেশকিছু স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সিপিআইএম নেতৃত্ব। পুরো ঘটনার দায়ভার শাসক দলের ওপর চাপাচ্ছে সিপিআইএম কর্মীরা। ঘটনায় ভীষণই আতঙ্কিত এলাবাসীরা।

ঘটনা প্রসঙ্গে আরও এক সিপিআইএম কর্মী জানিয়েছেন , "ওইসব দুষ্কৃতীদের ওপর ভীষণই অতিষ্ট স্থানীয়রা। প্রথমে ভোট লুট করে। তারপর আবার পরিকল্পনার সঙ্গে হামলা চালায়। সবটা জেনে শুনে তৈরি হয়েই এই হামলা করেছে। পুরোটাই তৃণমূলের কাজ। ওদের মদত না থাকলে এটা হতে পারত না। আমরা তাই সিপিআইএম দলের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাচ্ছি। এদের একটা ব্যবস্থা হওয়া দরকার।"
আরও এক সিপিআইএম কর্মী জানিয়েছেন , "বাংলা বাঁচাও মিছিলের মাঝে হঠাৎ ৪-৫ জন এসে পরিস্থিতি বেসামাল করে তোলে। গাড়ির চাবি কেড়ে নিল। এরপর ড্রাইভারকে গাড়ি থেকে বার করে দিল। আমি যখনই পুলিশে ফোন করতে যাই আমার ফোন কেড়ে নিল। আমি বাড়ি পৌঁছে থানায় ফোন করি। শাসক দল চাইছে না আমরা এই অভিযানে নামি। সরাসরি কারোর দিকে আঙুল না তুলল আমার মনে হয় এটা শাসক দলেরই কাজ।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়