নিজস্ব প্রতিনিধি , রাঁচি - ১৬ দিন পর অবশেষে অনশন ভাঙলেন দেবেন্দ্র মাহাতো। পরীক্ষা বাতিলের প্রতিশ্রুতি পেয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। নিয়োগ পদ্ধতিতে সংস্কারের আশ্বাসও মিলেছে। স্বাভাবিকভাবেই অনেক স্বস্তি ফিরেছে ঝাড়খণ্ডের আন্দোলনকারীদের মধ্যে। তবে সরকারের ঘোষণায় আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষোভ ছড়ায়। গত ২৪ দিন ধরে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা। তাঁদের প্রধান দাবি ছিল পরীক্ষা বাতিল। পাশাপাশি সিবিআই তদন্তের অর্জিও ছিল। নিয়োগ পদ্ধতিতে সংস্কারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। এই শর্তগুলি সামনে রেখেই অনশন শুরু করেন দেবেন্দ্র। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে বসেন তিনি। সেখানে টানা ১৬ দিন অনশন করেন দেবেন্দ্র। তাঁর সঙ্গে যোগ দেন উম্মে হাবিবা। ছাত্রনেতা রাহুল ক্রান্তিও সামিল হন আন্দোলনে।
এরপর সরকারের সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক হয়। সোমবার রাতে দুই মন্ত্রী পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দীপিকা পাণ্ডে সিং। সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রী ইরফান আনসারিও। বৈঠকে পরীক্ষা বাতিলের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পরীক্ষা পদ্ধতিতে বদলের আশ্বাসও মেলে। এরপর অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন দেবেন্দ্র। সঙ্গীদের সঙ্গে ফলের রস খেয়ে অনশন ভাঙেন তিনি। সরকারের ঘোষণায় আপাতত স্বস্তি ফিরেছে। আন্দোলন থামতে পারে বলেও জল্পনা চলছে।
২০১৪ সালের পরের সব পরীক্ষা বাতিল হবে। যেগুলি টিডিপিএল সংস্থা পরিচালনা করেছিল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিও সিদ্ধান্তের আওতায় রয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার পদ্ধতিতেও সংস্কার আনা হবে। তবে সিবিআই তদন্তের দাবি এখনও পূরণ হয়নি। হেমন্ত সোরেন সরকার এই দাবিতে রাজি হননি বলে জানা গেছে। গত কয়েক দিনে আন্দোলনের তীব্রতা বেড়েছিল। রবিবার সন্ধ্যায় রাঁচিতে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। তাঁরা হেমন্ত সোরেনের কুশপুতুল পোড়ান। রাহুল গান্ধীর কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।
মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ে হেমন্তকে চিঠি লেখেন রাহুল। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সাংবিধানিক অধিকার বলে জানান তিনি। গণতন্ত্রে আন্দোলনের গুরুত্বও তুলে ধরেন। প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের পাশে থাকার কথা বলেন। পরীক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধেও সমর্থনের বার্তা দেন। মুখ্যমন্ত্রীকে পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার অনুরোধ করেন। ক্রমাগত চাপের মুখে পড়ে সরকার। শেষপর্যন্ত পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়।
অনশন ভাঙার পর প্রতিক্রিয়া জানান দেবেন্দ্র। তিনি সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তাঁর কথায়, 'ঝাড়খণ্ড সরকার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। সিদ্ধান্তটি সরকারের জন্য সহজ ছিল না। জেএসএসসি সিজিএল নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেকদূর এগিয়েছিল। বহু পরীক্ষার্থী চাকরিতে যোগ দেওয়ার মুখে ছিলেন। অনেকে নিজেদের আসনও নিশ্চিত করেছিলেন। তারপরেও সরকার পরিস্থিতি গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে। সেই কারণেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে'।
৩১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ১০৫ ভারতীয়-সহ ৪০০ কৈলাসযাত্রী
দল ভাঙলেও মেঘালয়ে এখনও বিরোধী তকমা, উপনির্বাচনে প্রার্থীও দিতে পারেনি তৃণমূল
লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা বাসের, নিহতদের মধ্যে ৫ জন মহিলা
PIMS হাসপাতালের নার্সারিতে আগুন, ১৬ শিশুর মধ্যে মাত্র ১ জনকে জীবিত উদ্ধার
১৫ দিনে প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে দাম, বিদেশ থেকে চিনি আনার অনুমতিও কেন্দ্রের
১৮টি উড়ান বাতিল, ১৬৬টি বিমান ওঠানামায় দেরি, দিল্লি-এনসিআরে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা
ট্রেনের চাদর নিয়ে এমন বেপরোয়া আচরণে নেটদুনিয়ায় শুরু সমালোচনা
লোকসভার সঙ্গেই ভোটের পথে ২২ রাজ্য, এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলিতে বড় বদলের জল্পনা
পরিবারের গৃহকর্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে গ্যাসের টাকা! বছরে ৩ সিলিন্ডার ফ্রি বিজয়ের রাজ্যে
বিয়ের ৪ মাসের মধ্যেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, স্বামী-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ
মানুষ পাঠানোর আগে একের পর এক পরীক্ষা, গগনযান ঘিরে বড় ঘোষণা ISRO চেয়ারম্যানের
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের