নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - কেন্দ্রের নয়া শ্রম কোড নিয়ে ফের সংঘাতের সুর চড়াল রাজ্য–কেন্দ্র সম্পর্ক। নয়া নির্দেশিকায় ১০০ দিনের কাজের টাকাপ্রদান সংক্রান্ত শর্তের প্রতিবাদে প্রকাশ্য জনসভা থেকেই কাগজ ছিঁড়ে ফেললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন,'এসব অসম্মানজনক শর্ত আমি মানি না, মানবও না।'
আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার—কেন্দ্রের নয়া শ্রম কোড রাজ্যে কার্যকর করা হবে না। সেই প্রেক্ষিতেই কয়েকদিন আগে শ্রম সংক্রান্ত আইনের প্রতিলিপি রাজ্য সরকারের হাতে আসে। সেখানে ১০০ দিনের কাজের অর্থ ছাড়ে নতুন ‘শর্ত’ আরোপের উল্লেখ পেয়ে ক্ষুব্ধ রাজ্য। দুদিনের কোচবিহার সফরে গিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়েই কেন্দ্রকে আক্রমণের সুর চড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ' তিন–চার দিন আগে কেন্দ্র নতুন লেবার কোড নিয়ে আমাদের নোটিশ পাঠিয়েছে। যেখানে ১০০ দিনের কাজের টাকায় নতুন শর্ত চাপিয়েছে। ৩ মাসের সমস্ত রিপোর্ট দিতে হবে কিন্তু সময় কোথায়?'
মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, ' এতদিনের কাজ বন্ধ রাখার জন্য আমরা প্রায় ৫১ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা পাই কেন্দ্রের থেকে। এই টাকাগুলো লুকিয়ে রেখেছে আর ভোটের সময় এসে বলবে এই তো দিলাম টাকা। ২ মাসে টেন্ডার করে কিছু হয়না। ১০০ দিনের কাজের অনেক মানুষ তাদের প্রাপ্য টাকা পায়নি। নতুন শর্ত দিচ্ছে আমরা এই শর্ত মানছি না মানবো না।'
এরপরেই, নাটকীয় মুহূর্ত মুখ্যমন্ত্রীর হাতের কাগজটি জনতার সামনে ছিঁড়ে ফেলেন। বলেন, 'এটা কেন্দ্রের নোটিশ নয়, আমার নিজের কাছে থাকা কাগজ। তবে জানিয়ে দিলাম এই শর্ত কোনওভাবেই রাজ্য মানবে না।' মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ' কেন্দ্র বারবার বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আটকে রেখে রাজ্যকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে।' এদিন শ্রম আইন বিতর্কের পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তোলেন—বঞ্চনা, বৈষম্য এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বাধা-সংকট তৈরির।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়