নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - ঠাকুর দেখে বাড়ি ফেরার আনন্দ মুহূর্তেই ছড়িয়ে গেল শোকের ছায়া। ভোরের শান্ত পরিবেশে প্রাইভেট গাড়িতে করে ফিরছিল এক পরিবার। হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি ধাক্কা মারে রাস্তার ধারে থাকা শক্ত গাছে। প্রচণ্ড শব্দে থমকে যায় চারপাশ, মুহূর্তের মধ্যেই রক্তাক্ত দৃশ্য।

সূত্রের খবর, শনিবার ভোরবেলা প্রাইভেট গাড়িতে করে পরিবারসহ ফিরছিলেন করিমপুরের বাসিন্দা সুজিত কুমার বিশ্বাস (৪৭)। ফাঁকা রাস্তায় গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা রাস্তার ধারের এক বিশাল গাছে সজোরে ধাক্কা মারে গাড়িটি। দুর্ঘটনার তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় সুজিতবাবুর।

গাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের আরও চারজন ছিলেন। প্রত্যেকেই গুরুতর জখম হন। আশপাশের লোকজন প্রথমেই দৌড়ে এসে পুলিশকে খবর দেন। দ্রুত তেহট্ট থানার পুলিশ এবং স্থানীয়রা মিলে আহতদের বের করে নিয়ে যান হাসপাতালে। কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজিতবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরে স্থানান্তরিত করা হয় কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ভোরের সময় অতিরিক্ত গতি বা চালকের ঘুমের ঘোরই এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ হতে পারে।

বর্তমানে তদন্ত চলছে। দুর্ঘটনার খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে করিমপুরের বাড়িতে এবং আশপাশের এলাকায়। পুজোর আনন্দের মুহূর্তে এমন অকাল মৃত্যুতে স্তম্ভিত প্রতিবেশী থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন, সবার মুখে এখন একটাই কথা, “এত বড় দুর্ঘটনা এক নিমেষে সবকিছু পাল্টে দিল।”

গাড়িতে থাকা এক ভদ্রলোক উত্তম কুমার সরকার জানান, “যেই ব্যক্তি মারা গিয়েছে ওনারই গাড়ি ছিলো। আমি শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, আমরা ৫ জন ছিলাম, সবাই কমবেশি আহত হয়েছি।” ঠাকুর দেখে ফিরছিলাম, ভোরবেলা ঘুম আসায় আমি পেছনের সিটে চলে যাই, উনি তখন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। খুব সম্ভবত ওনার চোখেও ঘুম থাকায় গাড়িটি সোজা গিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা মারে।”
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর