নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - একা বাড়িতে থাকার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইন্দাস এলাকায়। নিহতের নাম নিশা যাদব। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে। বিষয়টির প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সূর্য দাসের সঙ্গে নিশা যাদবের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের প্রায় ১০-১৫ দিন পর স্বামীকে নিয়ে তিনি ইন্দাস এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। পেশায় তাঁর স্বামী একজন টুরিস্ট বাসের চালক হওয়ায় কর্মসূত্রে তিনি বাড়ির বাইরে ছিলেন।

রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ নাগাদ ঘরের মধ্যে থেকে চিৎকার, ধোঁয়া বেরোতে দেখে আশপাশের বাসিন্দারা ছুটে আসেন। কিন্তু দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। পরে শাবল দিয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখা যায়, গৃহবধূ শরীর সম্পূর্ণভাবে আগুনে দগ্ধ। তড়িঘড়ি করে আহতকে ইন্দাস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
প্রতিবেশী পূর্ণা বৈরাগ্য জানান, 'হঠাৎ বাইরে থেকে চিৎকার শুনে বেরিয়ে আসি। প্রথমে আগুন লাগার বিষয়টি বোঝা যায়নি। পরে চোখে পড়ে ঘর থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। দরজা ভাঙার সময়ই পুলিশ পৌঁছে যায়। ভিতরে চারিদিকে কেরোসিন ছড়ানো ছিল। আমাদের অনুমান তিনি নিজেই তেল ঢেলে আগুন লাগিয়েছেন। তবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ সম্পর্কে জানা নেই'।
ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতার শাশুড়ি ঝুমা দাস জানান, 'আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমাদের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ ছিল না। বিয়ের আগে ওর মানসিক সমস্যার কথা আমাদের জানানো হয়নি। রাতে ফোন আসতেই মৃত্যুর খবর জানতে পারি। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে আমরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে'।
মৃতার দিদি নীনা ঘোষ বলেন, 'মাসির ফোন পেয়ে তৎক্ষণাৎ চলে আসি। আমাদের বাবার বাড়ি বর্ধমান। আমরা চার বোন এক ভাই, বাবা মা দু'জনের দুই বছর হলো মারা গেছেন। দেখাশোনা করেই বোনের বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গেও কোনও ঝামেলা ছিল না। ওরা নিজেরাই আলাদা থাকত। তারপরেও কেন এমন পরিণতি, বুঝে উঠতে পারছি না'।
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়