নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - রাজ্যের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে এবার সরব খোদ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বিডিও অফিসে দেখা গেলো এক ব্যতিক্রমী চিত্র — নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন তৃণমূল এসসি সহ ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস।
সূত্রের খবর , ১০০ দিনের কাজের প্রকৃত উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে ২০২৪ সাল থেকে প্রতিটি বুথে অস্থায়ী কর্মীদের নিয়ে রাজ্য সরকার বিশেষ ক্যাম্প চালু করে। এই কাজের জন্য প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ২ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু এখনো সেই ক্যাম্পে যুক্ত অস্থায়ী কর্মীরা তাদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক পাননি।
এই বিষয়কে কেন্দ্র করেই ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল এসসি সহ ওবিসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস। তিনি বলেন , রাজ্য সরকারের এই গাফিলতি আর মানা যায়না। দরকার হলে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে দাবি করেন তিনি। এই ঘটনার জেরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্দরেই ফাটল দেখা যাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে।
অন্যদিকে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি ও সিপিএম। বিজেপি নেতা শ্যাম প্রসাদ বলেন , "কেন্দ্রের ১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ করে তৃণমূল নেতারা বড়লোক হয়েছে। এবার নিজেদের দলের সরকারের টাকা মেরে দিচ্ছে। দুর্নীতিতে তৃণমূলই এক নম্বর।"
সিপিএমের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক পীযুষ মিশ্র কটাক্ষ করে বলেন , "আসলে আন্দোলনকারী নেতার ভাগে কম পরেছে। এখন ‘আমাদের পাড়া , আমাদের সমাধান’ কর্মসূচির নামে চলছে তৃণমূল নেতাদের প্রোডাক্ট বিক্রি — হাই মাস্ট লাইট হোক বা রাস্তা তৈরির সামগ্রী , সবকিছুর পেছনেই তৃণমূল নেতাদের ব্যবসা।"
এই দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরব হয়েছেন মাঠ পর্যায়ে কাজ করা কর্মীরাও। বারো পেটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী কর্মী রতন রায় জানান , "আমি উপভোক্তা চিহ্নিত করার কাজে যুক্ত ছিলাম। কিন্তু আজও আমার প্রাপ্য টাকা পাইনি।"
তবে এই সমস্ত অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন জলপাইগুড়ি সদর বিডিও মিহির কর্মকার। তিনি সাফ জানান , "আমরা টাকা দিয়েছি। অডিট রিপোর্টেও সব কিছু সঠিক রয়েছে।"
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর