নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কার পর এবার সাংসদ ভাঙন নিয়ে চাপে তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভায় তৃণমূলের একাধিক সাংসদ বিজেপিতে যোগ দেওয়া বা এনডিএ-কে সমর্থনের বিষয়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ডজনখানেক সাংসদের নাম নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই ঘটনাকে ঘিরে দিল্লি থেকে কলকাতা- দুই রাজনৈতিক মহলেই শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।
লোকসভায় তৃণমূলের বর্তমান সাংসদ সংখ্যা ২৯। এর মধ্যে বড় একটি অংশ একসঙ্গে দল ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেই খবর। আরও কয়েকজন সাংসদের সঙ্গেও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা চলছে বলে দাবি। দলত্যাগ বিরোধী আইনের বাধা এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যার হিসাব কষেই এই পরিকল্পনা এগোচ্ছে। আগামী বর্ষাকালীন অধিবেশনেই পরিস্থিতি স্পষ্ট হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের অনুমান।
তৃণমূল নেতৃত্বও পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সাংসদদের ধরে রাখার মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে। কারণ, যাদের নাম উঠে আসছে তাদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। দলীয় অন্দরে আইপ্যাকের ভূমিকা, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত, নেতৃত্বের আচরণ নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছিল বলেও সূত্রের দাবি। সেই ক্ষোভই এখন বড় ভাঙনের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিজেপির অন্দরের খবর, শুধু লোকসভাই নয়, ভবিষ্যতে রাজ্যসভাতেও তৃণমূলের শক্তি কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রে শরিক দলের সমর্থনে সরকার চালালেও সংসদে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে চাইছে বিজেপি। এর ফলে তৃণমূলের বড় অংশ বিজেপির দিকে গেলে সংসদে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করানো অনেক সহজ হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা, পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদে তৃণমূলের ভাঙনের খবর সামনে আসছে। সেই আবহেই সাংসদদের নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ায় চাপ আরও বেড়েছে ঘাসফুল শিবিরে। যদিও এই জল্পনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
কালবৈশাখীর দাপটে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টি, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
"আমি নিজে লোগো এঁকেছিলাম, আমার উপর রাগ থাকতেই পারে, কিন্তু শিল্পকেই কেন ভাঙা হল?" সল্টলেক স্টেডিয়ামের সামনে ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর
আইএসএলে যোগ্যতা অর্জনের পর দেরিতে প্রতিক্রিয়া, রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে উঠছে ভবিষ্যৎ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন
দক্ষিণ দমদম পুরসভা কেন্দ্র করে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নতুন মোড়। ইডির দাবি, ‘কাউন্সিলার কোটা’ নামে এক অবৈধ সুপারিশ ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হত, আর এই পুরো চক্রের নেপথ্যে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু।
কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় আনা হয়েছিল তিন তরুণীকে। অভিযোগ, পরে তাঁদের যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেয় একটি চক্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে উদ্ধার করা হয় তাঁদের। ঘটনায় গ্রেফতার এক মহিলা, তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও যোগাযোগ করা হয়েছে নেপাল দূতাবাসের সঙ্গে।
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...