নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - দলেরই বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন তৃণমূল কর্মীরা! তৃণমূল কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, তাঁদের মতামত বা পরিশ্রমকে উপেক্ষা করে বিধায়ক কেবল নিজের ঘনিষ্ঠ কিছু নেতাকে দিয়ে সংগঠন চালাচ্ছেন। স্থানীয় উন্নয়নমূলক প্রকল্প হোক বা দলীয় কর্মসূচি, সব জায়গাতেই চলছে পক্ষপাতিত্ব ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ঘটনায় রীতিমত অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব।
সূত্রের খবর, সিউড়িতে চরম গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল তৃণমূল। শুক্রবার দুপুরে সিউড়ি থানার সামনে দলের সামনে জমায়েত হয়ে স্লোগান, পোস্টার, বিক্ষোভে সরগরম হয়ে ওঠে এলাকা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা এই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন, কিন্তু কোনও সুরাহা না হওয়ায় অবশেষে পথে নামতেই হয়েছে। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমরা দলের সাধারণ সৈনিক। অথচ আমাদের কথার কোনো দাম নেই। বিধায়ক শুধু নিজের লোকজনকেই সুযোগ দিচ্ছেন। আমরা চুপ করে থাকলে দলটা নষ্ট হয়ে যাবে।”
অভিযোগ আরও, দলেরই এক প্রভাবশালী নেতার মদতে বিধায়ক তাঁদের হুমকি দিয়েছেন ও কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছেন। এদিন বিক্ষোভকারীরা “দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ব”, “স্বজনপোষণ বন্ধ করো”, “দলের মর্যাদা রক্ষা করো” - এই স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ধরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে থানার সামনে। এই ঘটনার পরেই জেলা নেতৃত্বে দেখা দিয়েছে তীব্র অস্বস্তি। এক স্থানীয় নেতা জানান, “দলের ভেতরের সমস্যা নিয়ে প্রকাশ্যে পথে নামা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। কারা এই ঘটনার পিছনে, তা খতিয়ে দেখা হবে।”
অন্যদিকে বিধায়ক নিজের অবস্থান স্পষ্ট রেখে বলেন, “সবই সাজানো নাটক। কয়েকজন অসন্তুষ্ট প্রাক্তন কর্মী ও বহিষ্কৃত নেতা পরিকল্পনা করে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। আমি দলের প্রতি অনুগত, আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এই চক্রান্ত।” স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকেই সংগঠনের অভ্যন্তরে অসন্তোষ দানা বাঁধছিল। এবার সেই অসন্তোষই বিস্ফোরিত রূপে সামনে এল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মন্তব্য, “দলের অভ্যন্তরীণ এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে সামনে বড় বিপদের মুখে পড়তে পারে তৃণমূলের সংগঠন।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়