নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - বিধানসভা ভোটের আবহে ক্রমশ চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখার্জী প্রচার কর্মসূচি শেষ হতেই আক্রান্ত হলেন বাম কর্মী-সহ তাঁর সন্তান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সমর্থকরা। পাল্টা চাপানউতোরে জড়ায় শাসক শিবির। জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে জনসংযোগে বেরিয়েছিলেন বাম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখার্জী। প্রচার শেষে খবর আসে, আদর্শনগরের বাসিন্দা সুশীল দাসের বাড়ির সামনে কয়েকজন নেশাগ্রস্ত যুবক অশান্তি সৃষ্টি করছে। প্রতিবাদ করতেই ওই প্রবীণের ওপর চড়াও হয়ে তাঁকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে তাঁর ছেলে সঞ্জীব বাড়ি ফিরলে ঘরের ভেতরে ঢুকে তাকেও পেটানো হয় বলে দাবি। জানতে পেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও স্থানীয় থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

আহতদের প্রথমে কানাইপুর এবং পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। আক্রান্ত পরিবারের বক্তব্য, অভিযুক্তরা শাসকদল ঘনিষ্ঠ টোটোচালক। এই ঘটনার প্রতিবাদে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান মীনাক্ষী মুখার্জী ও সিপিএম সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। নেত্রীর অভিযোগ, ভোটের আগে দুষ্কৃতীরা এলাকায় অশান্ত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ না করলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
এছাড়াও নারী নির্যাতন, চুরি, ছিনতাই, তোলাবাজি সহ একাধিক ইস্যুতে বর্তমান বিধায়কের ভূমিকা নিয়েও সরব হন বাম নেত্রী। তিনি প্রশ্ন করেন, অভিযোগ জানাতে রাস্তায় নামতে হলে পুলিশের ভূমিকা কী? এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে মদ, জুয়ার ঠেক চালাতে প্রশ্রয় দেওয়ার মতোই অভিযোগ তোলা হয়। শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি জানান, সিপিআইএম সারা রাজ্যের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য লড়ছে।শেষে কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে গুণ্ডারাজ চলবে না।
এ বিষয়ে শহর তৃণমূল সভাপতি ইন্দ্রজিৎ ঘোষ জানান, 'বিরোধীদের দাবি ভিত্তিহীন। আমি শুনেছি এক প্রয়াত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের শেষকৃত্য সেরে ফেরার পথে দুই যুবক মন্দিরের সামনে বসে ছিল। তখন বামেদের মিছিল থেকে তাদের কটূক্তি করা হয়। তা নিয়ে বচসা শুরু হলে প্রথমে ওরাই রড দিয়ে আমাদের ছেলেদের মারে। তাই পাল্টা হয়তো ঝামেলা হয়েছে। আমরাও নালিশ জানিয়েছি। চাইছি সঠিক তদন্ত হয়ে প্রকৃত অপরাধীদের সাজা হোক'।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মীনাক্ষী মুখার্জী বলেন, 'তৃণমূল বুঝে নিক এখানে মাফিয়ারাজ বরদাস্ত করা হবে না। অরাজকতা আমরা সহ্য করব না। পুলিশ যদি নিজের কর্তব্য পালন না করে দালালি করে, তবে তাদের অবস্থাও খারাপ হবে। আমরা এই প্রসঙ্গের শেষ দেখে ছাড়ব। আগে ঘাতকদের ধরা হোক, তারপর আমাদের প্রতিবাদ থামবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়