নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ দিনাজপুর - বেলা গড়াতেই বালুরঘাট কলেজ চত্বরে আচমকাই চড়া উত্তেজনা। ছাত্রছাত্রীদের স্বাভাবিক দিন এক নিমেষে বদলে গেল ধাক্কাধাক্কি আর স্লোগানের শব্দে। দুপুর প্রায় দেড়টা নাগাদ ফি কমানোসহ একাধিক দাবি নিয়ে প্রিন্সিপালের কাছে লিখিত ডেপুটেশন জমা দিতে এসএফআই প্রতিনিধিরা এগোতেই বাধা পড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থকদের। অভিযোগ, কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়।

সূত্রের খবর , মঙ্গলবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থকেরা তাঁদের পথ আটকে দাঁড়ায়। শুরু হয় তর্কবিতর্ক, যা মুহূর্তের মধ্যে গড়িয়ে যায় হাতাহাতিতে। চোখের পলকে পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে। পড়ুয়াদের মধ্যে কেউ কেউ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, কেউ আবার দুই পক্ষকে আলাদা করতে চেষ্টা করেন। ধাক্কাধাক্কি ও স্লোগানের শব্দে গোটা প্রাঙ্গণ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এসএফআইয়ের তরফে কলেজ ছাত্রীর অভিযোগ , তারা শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিজেদের দাবি জানাতে গিয়েছিল। তারা প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অতিরিক্ত ইউনিয়ন ফি কমানোর দাবিতে। কলেজে আইনত কোনও ইউনিয়ন না থাকা সত্ত্বেও ৪০০ টাকা বাড়তি ফি নেওয়া হচ্ছিল। প্রিন্সিপালের অ্যাসিসটেন্ট বারবার তাদের বার করে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এমন সময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কয়েকজন ছাত্র তাদের হুমকি দিয়ে বলেন, “এটা কোনও কলেজ নয়, এটা আমাদের রাজনীতির জায়গা।

“এসএফআইয়ের দাবি অনুযায়ী, তাদের জমা দেওয়া কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয় এবং গলাবাজি করে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। প্রিন্সিপালের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে বারবার বাধা দেয়া হয়।

এসএফআই কর্মী অমন দাস জানান, “আজ ৪০০ টাকা বাড়তি ইউনিয়ন ফি কমানোর দাবিতে কলেজের ছাত্রছাত্রীরা প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করার জন্য এসেছিল।

প্রায় ৩০-৪০ জন ছাত্রছাত্রী লিখিত আবেদন নিয়ে পৌঁছায়, কিন্তু তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থকরা তাদের পথ আটকে ধস্তাধস্তি করে। দিনের পর দিন দুস্থ ছাত্রছাত্রীদের থেকে বেআইনি ফি নেওয়া হচ্ছে এবং কলেজকে দুর্নীতির আসরঘর বানানো হয়েছে। আমরা আর এই অন্যায় মেনে নেব না। অবিলম্বে এগুলো বন্ধ না হলে আন্দোলন আরও বৃহত্তর হবে।”

অন্যদিকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে। ইউনিয়ন সদস্য প্রলয় দাস দাবি করেন, “এসএফআইরা বিশেষত অসৎ উদ্দেশ্যে ছাত্রছাত্রীদের ফোন নাম্বার চেয়েছিল এবং তা বেআইনি সংস্থায় পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল। আমরা এই চেষ্টা আটকাই, যার ফলে আমাদের উপর গালিগালাজ করা হয়েছে। এসএফআই মূলত অর্থের লোভে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এসব করছে। আমরা চাই কলেজের শান্ত পরিবেশ বিঘ্নিত না হোক।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়