নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - পুলিশও আছে CC ক্যামেরাও বসানো , তবু এলাকায় বেড়ে চলেছে ছিনতাই ও ইভটিজিং। মাস তিনেক ধরে বেশিরভাগ ক্যামেরা বিকল থাকায় নজরদারি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ফলে দুষ্কৃতীরা নির্ভয়ে বাড়াচ্ছে। কোথাও কোথাও আবার ক্যামেরাই লাগানো হয়নি বলে দাবি বাসিন্দাদের। নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য গয়েশপুর ফাঁড়ির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ। এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়ছে প্রতিদিন।
স্থানীয় সূত্রের খবর , গয়েশপুরের ১৮টি ওয়ার্ড জুড়ে রয়েছে ৬৪টি CC ক্যামেরা, যা পুরোপুরি গয়েশপুর ফাঁড়ির নিয়ন্ত্রণে। বিগত তিন মাস ধরে প্রায় অধিকাংশ ক্যামেরাই অকেজো, আর অনেক জায়গায় এখনও ক্যামেরা লাগানো হয়নি। এরই সুযোগে ইভটিজিং ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে গেছে। গত ৩রা ডিসেম্বর রাত ১২টায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় হারাধন কীর্তনীয়াকে তিন দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে লুট করে, বাঁধা দিতে গেলে হাতে কামড় দিয়ে পালায়। তিনি পুলিশে অভিযোগ জানালেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে দাবি। এতে ক্ষোভ আরও বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।
বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায় গয়েশপুর ফাঁড়ির ওসি জয় দাসকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, “একজন পুলিশ যদি বছরের পর বছর একই জায়গায় থাকেন, এটা সিস্টেমের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।" স্থানীয়দের অভিযোগের সুরও একই “নিরাপত্তা ফেরাতে পুলিশকে সক্রিয় হতেই হবে, না হলে গয়েশপুরে অশান্তি আরও বাড়বে।”
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর