নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - প্রায় ৫৫০ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যকে বুকে নিয়ে আজও জাঁকজমক সহকারে পালিত হয় শান্তিপুরের মহিষখাগী কালীমায়ের পুজো। এক সময় রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্বপ্নাদেশে এই জাগ্রত কালী মায়ের মন্দির নির্মিত হয়েছিল। মায়ের আদেশ পেয়েই রাজা দেরি না করে তৎক্ষণাৎ মন্দির নির্মাণ শুরু করেন। শুরু হয় দেবীর পুজো , যেখানে ১৫ ফুট উচ্চতার হাড়িকাটে একসঙ্গে ১০৮টি মহিষ বলি দিয়ে পুজো হত। এ এক অভূতপূর্ব আয়োজন , যার স্মৃতি আজও জেগে আছে এই জনপদের প্রতিটি কোণায়।

সূত্রের খবর , এক তান্ত্রিকের হাতে সূচনা হয় এই পুজোর। পরবর্তীতে শান্তিপুরের চট্টোপাধ্যায় বংশ সেই পুজোর ভার গ্রহণ করে। মন্দির না থাকায় পুজো হত একটি কুঁড়েঘরে। পরে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্বপ্নাদেশে তৈরি হয় মন্দির। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পুরনো মন্দিরের স্থানে এলাকাবাসীর উদ্যোগে গড়ে ওঠে নতুন মন্দির।

বর্তমানে এই পুজোর দায়িত্বে রয়েছেন স্থানীয় বারোয়ারিরা। পুজোর আচার - অনুষ্ঠানও অনন্য। দেবীকে পাটে তোলার সময় থাকে বিশেষ নিয়ম , শুরু হয় ভোররাতে দধিমঙ্গল। অমাবস্যা রাতে অনুষ্ঠিত হয় দেবীর "বিয়ে"। পরদিন পালিত হয় বাসি বিয়ের রীতি। একটি বিশিষ্ট বাঙালি আচার , যা এই পুজোকে করে তোলে আরও ঘরোয়া , আরও আত্মিক।
একসময়ে এখানে মহিষ বলির প্রচলন ছিল , যা পরে রূপান্তরিত হয় পাঁঠা বলিতে। তবে বর্তমানে এই বলির রীতি পুরোপুরি বন্ধ। বলির বদলে মাকে উৎসর্গ করা হয় পান্তা ভাত আর খয়রা মাছ। শুনতে অদ্ভুত অথচ বিশ্বাসে বাঁধা উৎসর্গপ্রথা।

পুজোর পরের ধাপে শুরু হয় নিরঞ্জনের পালা। হাজার হাজার ভক্তের কাঁধে করে মাকে নিয়ে যাওয়া হয় নিরঞ্জনের জন্য। মা মহিষখাগীর নিরঞ্জনের সময় শহরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে শান্তিপুরের অসংখ্য মানুষ। দেবীর প্রতি ভক্তি , শ্রদ্ধা আর আবেগে মুখর হয়ে ওঠে সমগ্র অঞ্চল।
শান্তিপুরের এই কালী পুজো শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় , এটি এক ঐতিহ্য , এক ইতিহাস , সহ এক আবেগ , যা প্রতি বছর মানুষের হৃদয়ে নতুন করে জায়গা করে নেয়। স্থানীয়দের মতে , এখানে মা খুবই জাগ্রত। মায়ের আশীর্বাদে এখানে মুছে যায় ভক্তদের দুর্দশা।
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর