নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - সরকারের জমিতে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ।ঘটনাস্থল অবৈধ নির্মাণের পরিদর্শন করেন পৌরপ্রধান সুকান্ত চ্যাটার্জি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর লক্ষী বাড়ৈ। গয়েশপুর পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডে সরকারের জমি দখল করে অবৈধ নির্মাণে জীবিকা নির্বাহ করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রের খরর , প্রায় ২০০ বিঘা সরকারের জমিতে বহু বছর ধরে চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন এলাকাবাসী। কিন্তু হঠাৎ সেই জমিতে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি থেকে শুরু করে চায়ের দোকান তৈরি হয়। ওই দোকানে সন্ধ্যার পর অবৈধ কার্যকলাপও চলতে থাকে। এই ঘটনা চোখে পড়তেই পৌরপ্রধান তৎপরতার সঙ্গে নড়েচড়ে বসে। ঘটনাস্থলে পৌর প্রধান সুকান্ত চ্যাটার্জি সহ কাউন্সিলর লক্ষী বাড়ৈ পৌঁছালে নির্মাণকারীদের মধ্যে শঙ্কর দাস কিছু সময় চান , কিন্তু অপর অভিযুক্ত বাবুলাল দাস কোনোভাবেই নির্মাণ সরাতে রাজি নন। তবে কয়েক দিনের মধ্যে অবৈধ জিনিসপত্র না সরালে পৌরসভার পক্ষ থেকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে পৌর প্রধান সুকান্ত চ্যাটার্জি বলেন , এগুলো সব খাস জমি , কারো নামে নথিভুক্ত নয়। মানুষ এখানে চাষ করছে , আমি তাদের কিছু বলি না ওরা খেয়ে বাঁচুক। কিন্তু অবৈধ নির্মাণ একেবারেই সহ্য করা হবে না। এগুলো সরকারের জমি , এখানে ঘর বা দোকান তৈরির জন্য জায়গাটা ফেলে রাখা হয়নি।
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়