নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - মা শুধু জন্ম দেন না, প্রয়োজনে মৃত্যুকেও হার মানিয়ে আবার জীবন ফিরিয়ে আনেন। অসুস্থ সন্তানের জন্য মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা কতটা বড় হতে পারে, তার এক জীবন্ত উদাহরণ এই ঘটনা। কিডনির জটিল রোগে আক্রান্ত মেয়ে, জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দান করতে চলেছেন তাঁর মা। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়া রোগীর প্রাণরক্ষা সম্ভব নয়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় রোগীর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে, সপ্তাহে তিনবার ডায়ালিসিসই এখন একমাত্র ভরসা।

সূত্রের খবর, পরিবারের সীমিত আয়ের কারণে চিকিৎসার খরচ সামাল দেওয়া ইতিমধ্যেই কঠিন হয়ে পড়েছে। তরুণীর স্বামী ছোটখাটো কাজে অল্প রোজগার করেন। ধারদেনা করে এতদিন চিকিৎসা চালালেও এখন পরিস্থিতি আরও জটিল। বাড়িতে রয়েছে নয় বছরের একটি মেয়ে, মায়ের অসুস্থতা তার শৈশবেও প্রভাব ফেলেছে।
এই অবস্থায় মেয়ের প্রাণ বাঁচাতে দ্বিধাহীনভাবে নিজের কিডনি দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৪৮ বছরের মা। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার পর প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। পুজো শেষে বড় শহরের একটি সরকারি হাসপাতালে অপারেশনের দিন নির্ধারিত হয়েছে। অপারেশন সরকারি উদ্যোগে বিনামূল্যে হলেও পরবর্তী চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি যত্নের জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ। পরিবারের পক্ষে সেই ব্যয়ভার বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মা জাহিরা বিবি চোখ ভরা জলে জানিয়েছেন, মা হয়ে মেয়েকে তো চোখের সামনে মরতে দিতে পারিনা, তাই মেয়েকে দিত্বীয় বারের জন্য জন্ম দিচ্ছি। অনেক গুলো টাকার ব্যপার। গরিব মানুষ কিডনি জোগাড়ের ক্ষমতা নেই, তাই নিজেই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাই মেয়ের পাশে থাকলে মেয়ের ও তার ছোট সন্তানের জীবন রক্ষা হবে।”

অসুস্থ আজমিরা খাতুন জানান, “বিগত ৫-৬ বছর ধরেই অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। হাঁটা চলা পারতাম না, খেতে পারতাম না। সারাদিন বমি হতো। প্রায় ৩ বছর ধরে স্টেন্ট শরীরে নিয়ে ঘুরছি। তাও শরীরে জল জমত। এখন সপ্তাহে ৩ বার ডায়ালোসিস হয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো মায়ের সঙ্গে কিডনি ডোনেশনের সমস্ত তথ্যভিত্তিক সর্ত পূরণ হয়ে যাওয়ায় পুজোর পরেই অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবিষয় মায়ের পূর্ণ মতামত রয়েছে। তবে এত জটিল রোগের চিকিৎসা কতটা খরচ সাপেক্ষ তা সকলেরই জানা। এত বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা আমার পরিবারের পক্ষে সম্ভব না। তাই আমি ও আমার পরিবার প্রশাসনের কাছে আশাবাদী আমার চিকিৎসার জন্য যদি একটু আর্থিক সহায়তা করেন তাহলে অনেক ভালো হয়।”

তরুণীর স্বামী জাকির হোসেন জানান, “
অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই ওর চিকিৎসা চলছিল। তবে ওষুধের দ্বারা মানুষ কতদিন সুস্থ থাকবে, তাই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে কিডনি দানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা প্রথমে মৃত ব্যক্তির কিডনি নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম তবে তা পাওয়া অনেকটা লটারির মতো। তাই সেই ঝুঁকি না নিয়ে আমার আমার শাশুড়ি মা সিদ্ধান্ত নেন উনি নিজে কিডনি দেবেন, অপারেশন করতে যা যা চুক্তিভিত্তিক কাজ থাকে তা আমরা করেছি, বর্তমানে মায়ের সঙ্গে সৌভাগ্যবশত কিডনি মাইল যাওয়ায় আশা করছি দুর্গাপুজোর পর পরই ওকে ভর্তি করা হবে হাসপাতালে। আর্থিক দিক থেকে প্রশাসন ও সরকারের সহযোগিতা পেলে অনেকটাই উপকৃত হব।”
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়