নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ - হঠাৎই ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। এক ভারতীয় সেনা জওয়ানকে মেরে মাটিতে ফেলে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে ওই জওয়ান নাকি তৃণমূলের এক গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী। শুধু হুমকিই নয়, সেনা জওয়ানের দিদিকেও মারধর করে কান টেনে ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর , ঘটনার সূত্রপাত হয় জমি সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে। জানা গেছে, একটি ১৮ শতক জমি বিক্রির জন্য পাওয়া যায়, এবং সেখপুরা এলাকার বাসিন্দা, পেশায় সেনা জওয়ান মহম্মদ শাজাহান আলি জমি কেনার জন্য মালিকের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট করেন। এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী, তিনি বায়না বাবদ কিছু টাকা প্রদান করেন। এই খবর জানতে পেরে মোহনা এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা সালমা সুলতানার স্বামী আনোয়ার আলি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি প্রথমে সেনা জওয়ানকে চাপ দিয়ে এগ্রিমেন্ট প্রত্যাহার করে জমি ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেনা জওয়ান জমি ছাড়তে রাজি না হওয়ায়, আনোয়ার আলি ফোনে হত্যা ও মাটিতে পুঁতে দেওয়ার হুমকি দেন।

ঘটনায় আরও নৃশংসতা দেখা যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, পঞ্চায়েত সদস্যা সালমা সুলতানার স্বামী সেনা জওয়ানের দিদিকে মারধর করে তার কান ছিঁড়ে দেন।সেনা জওয়ানের দিদি মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে।অভিযুক্তরা এখনও সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেননি।

সেনা জওয়ানের আহত দিদি জানান, তার ভাই ওই জমি আগে থেকেই অগ্রিম বায়না করে রেখেছে, তাই অভিযুক্তরা বারবার ওই জমি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও তার ভাই রাজি হয়নি। সেই রাগেই রাজু নামের ওই অভিযুক্ত তার ভাইকে ফোন করে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি তাকেও একাধিক বার একই মারার হুমকি দিয়েছে। তার বৃদ্ধ বাবাকে পর্যন্ত মাটিতে ফেলে মারা হয়, মায়ের হাত মুচড়ে দেওয়া হয়।

তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য জানান,
“ আমাদের দল কোনদিনই এই ব্যপার সমর্থন করেন , যে দলের নাম ভাঙিয়ে কাউকে হুমকি দিয়ে আসবে। কদিন আগেই আমি আমার দলের সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি, সামনেই বিধাসভা ভোট, কেউ যাতে কোনভাবে কারোর সঙ্গে বাজে ব্যবহার না করে, বা এমন কোনও কাজ না করে যেখানে দলের গায়ে কালি লাগে। মারধরের ঘটনাটি কখনই উচিত হয়নি। ধস্তাধস্তির কারণে হয়তো এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, তবে পুলিশি তদন্তে আশা রাখছি।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়