নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - শহর তলির রাস্তায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পুলিশের মারধরে গুরুতর আহত হলেন কলকাতা হাইকোর্টের সরকারি আইনজীবী ও তার ছেলে। পুলিশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ মামলা গড়াল হাইকোর্টে।
সূত্রের খবর, ঘটনার সূত্রপাত বুধবার রাতে। গতকাল রাত প্রায় ১০টা ৪০ মিনিট নাগাদ সল্টলেক সেক্টর ২–এর AK ব্লকে গাড়ি আনতে যাচ্ছিলেন সৌরীন্দ্রনারায়ণ রায়। অভিযোগ, সেই সময় হঠাৎই সাদা পোশাকে থাকা দুই মত্ত পুলিশকর্মী তাকে আটকে পরিচয় জানতে চান। পরে অকারণেই বচসার জেরে তাকে বেধড়ক মারধরও করেন ওই পুলিশ কর্মীরা। আহত সৌরীন্দ্র কোনওরকমে তার বাবাকে ফোন করেন। তার পিতা পেশায় হাইকোর্টের সরকারি আইনজীবী মনুজেন্দ্রনারায়ণ রায়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মনুজেন্দ্রনারায়ণ রায়। কিন্তু ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি নিজেও পুলিশের হাতে আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। পুলিশের মারের তার বাঁ দিকের পেলভিসের হাড় ভেঙে যায়। বর্তমানে তিনি মণিপাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পূর্ব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি, ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনার দ্রুত শুনানির আর্জি চেয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কয়েকজন আইনজীবী। আজ বিকেল ৪টেয় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটির শুনানি হবে।
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
প্রতীক জৈনের বউ ও ভাইকে তলব করা হয়েছে
ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
মঙ্গলবার রাত ৮ টায় ভার্চুয়াল বৈঠক অভিষেকের
১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়