নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কায় SIR-এর বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনে শামিল মতুয়া সমাজ। টানা বারোদিন ধরে চলছে ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে অনশন। এই সংকটে মতুয়াদের পাশে দাঁড়াতে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল।
SIR নিয়ে আতঙ্ক আরও জেঁকে বসেছে মতুয়া মহলে। আশঙ্কা পর্যাপ্ত নথি না থাকলে বহু মতুয়া নাগরিকত্বহীন হয়ে পড়তে পারেন। সেই অভিযোগেই ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে গত বারোদিন ধরে চলছে গণ অনশন। অনশন মঞ্চে রয়েছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরসহ সাধারণ মতুয়ারা। ইতিমধ্যেই অনশনকারীদের মধ্যে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে রবিবার ঠাকুরবাড়িতে পৌঁছলেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে ছিলেন - শশী পাঁজা, স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা পৌঁছে দেন অনশনকারীদের কাছে এবং তাদের সঙ্গে দীর্ঘসময় আলোচনা করেন।
এর আগে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও অনশন মঞ্চে গিয়ে মতুয়াদের সমর্থন জানান। অন্যদিকে বিজেপি প্রকাশ্যে SIR-এর পক্ষে থাকলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে মতুয়া মহলে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষে গেরুয়া শিবিরই সবচেয়ে চাপে। কারণ, মতুয়াদের বড় অংশই দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে বিবেচিত।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়