নিজস্ব প্রতিনিধি , আলিপুরদুয়ার - কর্তব্যরত অবস্থায় সাংবাদিকের উপর হামলা! ঘটনায় উত্তাল সংবাদমহল। প্রকাশ্যে সাংবাদিককে চড় ও হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে এক মহিলা পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিন্দার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটে ২২শে অক্টোবর, কালীপুজোর অনুষ্ঠানের সময়। এক গণ্ডগোলের খবর সংগ্রহ করতে পৌঁছেছিলেন সাংবাদিক অরিন্দম সেন। ঠিক সেই সময় দায়িত্বে থাকা মহিলা পুলিশ আধিকারিক কৃষ্ণা বর্মন তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পরিচয়পত্র দেখালেও, অভিযোগ উঠেছে - ওই আধিকারিক জামার কলার ধরে তাঁকে চড় মারেন ও প্রকাশ্যে হেনস্থা করেন। ঘটনার পরেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই সাংবাদিক।

এই ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিক মহলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রবিবার সকালেই প্রতিবাদে পথে নামেন জেলার সাংবাদিক, চিত্র সাংবাদিক এবং সংবাদকর্মীরা। প্রায় পঞ্চাশ জন সাংবাদিক অংশ নেন এক মৌন মিছিলে। প্রেস ক্লাব ভবন থেকে শুরু হয়ে বক্সা ফিডার রোড পরিক্রমা করে মিছিলটি শেষ হয় নবনির্মিত প্রেস ক্লাব ভবনের সামনে।
মিছিলে অংশ নেওয়া সাংবাদিকদের মুখে কালো কাপড়, হাতে প্রতিবাদের প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল - “সাংবাদিকের উপর হামলা মানে গণতন্ত্রের উপর আঘাত”, “দোষীর শাস্তি চাই”, এবং “সাংবাদিক নিরাপত্তা চাই”। নীরবতার মধ্য দিয়েই তাঁরা জানালেন তাঁদের ক্ষোভ ও দাবি- নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সংবাদমহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। সকলেই প্রশ্ন তুলছেন, যাঁরা আইন রক্ষার দায়িত্বে, তাঁদের হাতেই যদি সংবাদকর্মীরা আক্রান্ত হন, তবে নিরাপত্তা কোথায়?

স্থানীয় সাংবাদিক সুজিত রায় জানান, “আমরা আজ আলিপুরের ঘটনায় পুলিশদের বিরুদ্ধে নিন্দা মিছিল করছি। পুলিশ সুপারকে বিষয়টি জানিয়েছি। এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়