নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব মেদিনীপুর - এক মুহূর্তে ভেঙে পড়লো বহু মানুষের ভরসার একমাত্র সেতু। শুক্রবার দুপুরে শালী নদীর উপর থাকা কজওয়ে ধসে পড়তেই অচল হয়ে গেল বড়জোড়া ব্লকের অন্তত ২৬টি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল কিংবা যাতায়াতের অন্যান্য পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
সূত্রের খবর, ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বড়জোড়ার বিধায়ক অলক মুখার্জি। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি দ্রুত মেরামতের আশ্বাস দিয়ে জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। যত শীঘ্র সম্ভব বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে এবং সেতুটি সংস্কার করে মানুষের যাতায়াত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবর্ষে বড়জোড়া ব্লকের বৃন্দাবনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে শালী নদীর উপর এই কজওয়েটি তৈরি হয়েছিল। তখন থেকেই কানাই, নামাই, রাউতোড়া, গরিববাটি, ভৈরবপুর, জগন্নাথপুর, বেলুট, মুক্তাপুর, হরেকৃষ্ণপুর গ্রামের সঙ্গে ভৈরবডাঙা, ধলডাঙা, বড়কুড়া, নিতানদপুর, বৃন্দাবনপুরসহ একাধিক গ্রামের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা ছিল এই কজওয়ে।

গ্রামবাসীরা ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিযোগ করেন , স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল কিংবা বাস পরিষেবা সব কিছুর জন্যই এই সেতুর উপর তাদের নির্ভর করতে হয়। এখন সেতু ভেঙে পড়ায় জীবন কার্যত থমকে গেছে। তাদের দাবি, বহুদিন ধরেই এই কজওয়ে ভেঙে উঁচু করে নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হচ্ছিল, কিন্তু তা গুরুত্ব পায়নি।

বিধায়ক অলক মুখার্জি জানান, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক ঘটনা। শালী নদীর উপর যে কজওয়ে রয়েছে, সেটি বহুদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। আমরা চাইছিলাম সংস্কারের কাজ দ্রুত হোক, কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে সেতুটি আচমকাই ভেঙে পড়ে। আমি ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। খুব দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব নতুনভাবে সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মানুষের ভোগান্তি যাতে আর না বাড়ে, তার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে নজর রাখব।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়