নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - রবিবার ফের অনুষ্ঠিত হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই রাজ্যের ৪৭৮টি কেন্দ্রে হবে পরীক্ষা। প্রায় আড়াই লক্ষ পরীক্ষার্থী বসতে চলেছে এই পরীক্ষায়।
সূত্রের খবর, ৭ সেপ্টেম্বরের পর আগামীকাল অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এসএসসি একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি নিয়োগ পরীক্ষা। মোট ৩৬টি বিষয়ের পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫০০। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ৪৭৮টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার দিন অ্যাডমিট কার্ড বহন করা বাধ্যতামূলক। তল্লাশির সময় অ্যাডমিট কার্ড না থাকলে পরীক্ষায় বসতে পারবেন না কোনও পরীক্ষার্থী।
এর আগেই পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একাধিক গাইডলাইন প্রকাশ করেছে এসএসসি। রবিবারও প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা ঝোলানো থাকবে। পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ' পরীক্ষার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ স্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা শান্ত ভাবে পরীক্ষা দিক। আগের রবিবারের পরীক্ষাও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। এটাও আশা করি নির্বিঘ্নে হবে।'
সিগন্যাল বিভ্রাটের জেরে বন্ধ মেট্রো পরিষেবা
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়