নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - সন্ধ্যার নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামে শুরু হল উত্তেজনার ঝড়। রাস্তার ধারে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয়রা। অভিযোগ, অভিযুক্ত প্রৌঢ়কে হাতেনাতে ধরে ফেলতেই গ্রাম যেন আদালতে পরিণত হল। পুলিশকে খবর না দিয়ে স্থানীয় তৃণমূল ও বিজেপি নেতাদের নেতৃত্বে চলল নিজস্ব ‘শাস্তির ব্যবস্থা’।
স্থানীয় সূত্রে খবর, হুগলীর গোঘাটের কামারপুকুর গ্রামে বুধবার সন্ধ্যায় ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। অভিযোগ, রাস্তার ধারে এক নাবালিকার যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন স্থানীয় প্রৌঢ় অশোক নন্দী। ঘটনাটি কয়েকজন গ্রামবাসীর নজরে আসতেই তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়।অভিযুক্ত অশোক নন্দীকে প্রথমে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে কান ধরে ওঠবস করানো হয়। এরপর, যৌনাঙ্গে বিচুতি পাতা লাগিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বাহার আলি ও বিজেপির গোঘাট যুবমোর্চার প্রাক্তন সভাপতি তানসার আলি সহ একাধিক নেতা ও গ্রামবাসী।

খবর পেয়ে শেষমেষ পুলিশ এসে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে।এখন প্রশ্ন, অভিযুক্তের শাস্তি জরুরি হলেও, আইন হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কে দিল রাজনৈতিক নেতাদের? সাধারণ মানুষও বলছেন “অপরাধীকে শাস্তি হোক, কিন্তু এমন পদ্ধতিতে নয়।”

গোঘাট ২ নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সৌমেন দিগার জানান, “ঘটনাটি নিমরুচির হলেও আমরা কেউই আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারি না । যেখানে পুলিশ প্রশাসন যথেষ্ট কর্তব্যপরায়ণ ভাবে এই বিষয় দায়িত্ব নিয়েছে সেখানে দাঁড়িয়ে এমন মধযুগীয় বর্বরতা যারা দেখিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের কাজকে সমর্থন করে না তবে যদি জানা যায় দলের কেউ যুক্ত ছিল, তার শাস্তির ক্ষেত্রেও কোনো অন্যথা হবেনা।”

গোঘাটের ঘটনায় বিজেপি নেত্রী দোলন দাস বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নারীদের ওপর বাড়তে থাকা অত্যাচার সমাজের জন্য বড় সমস্যা। এই নিন্দনীয় অপরাধ রুখতে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে অপরাধীরা প্রশ্রয় পায়। তাঁর কথায়, “অভিযুক্ত অন্যায় করেছে আর রাজনৈতিক দল আইন নিজের হাতে তুলেছে, এ দুটোই সমান অপরাধ। প্রশাসনের ক্ষমতা আছে আইন মান্য করানোর, কোনও রাজনৈতিক দলের নয়। অন্যায়ের কাছে কোনও ক্ষমা নেই, আর অপরাধের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।”

লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর