নিজস্ব প্রতিনিধি , লখনউ - অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান সংক্রান্ত তদন্তে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী শিবিরের একাধিক শীর্ষ নেতাকে তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।
সংগঠনের আন্তর্জাতিক সভাপতি আলোক কুমার অযোধ্যা পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন। গত ৪ জুলাই এই চিঠিটি পাঠানো হয়। তদন্তের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ আশুতোষ তিওয়ারির উদ্দেশে এটি লেখা হয়েছে। সেখানে আলোক কুমার কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করেন। তাঁরা হলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পাশাপাশি আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং, সমাজবাদী পার্টির নেতা রাম গোপাল যাদবের নামও রয়েছে।
এঁরা সবাই প্রকাশ্যে রাম মন্দিরের অর্থ নিয়ে একাধিক অভিযোগ করেছেন। এমনকি তাঁরা দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অঙ্কের কথাও উল্লেখ করেন। সেই কারণেই তাঁদের কাছে তদন্তের জন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। এমনটাই মনে করছে হিন্দুত্ববাদী এই সংগঠন।চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে ওই নেতাদের বক্তব্য নথিভুক্ত করা প্রয়োজন। আইন অনুযায়ী তাঁদের হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। অথবা তাঁদের কাছে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বয়ান নেওয়া হোক।
এই আবেদনও জানানো হয়েছে। কোন তথ্যের উপর নির্ভর করে তাঁরা এই বড় দাবি করেছেন, তা তদন্তকারীদের সামনে তুলে ধরতে হবে। একইসঙ্গে ভিএইচপি এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্ট করে। সেখানে জানানো হয়, এই মামলার কিনারা করতে উক্ত নেতাদের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। আলোক কুমার আরও একটি দাবি করেন। যদি সংশ্লিষ্ট নেতারা তাঁদের অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে না পারেন, তবে সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা উচিত। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাঁর বক্তব্য খুবই স্পষ্ট। বাস্তব তথ্য বা প্রমাণ ছাড়াই এত গুরুতর ধর্মীয় বিষয়ে অভিযোগ করা হয়ে থাকলে, সেটিও অপরাধ হিসেবে বিবেচ্য হওয়া প্রয়োজন। এদিকে ভিএইচপির এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং। তবে তিনি একটি পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন। কেন রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্রের বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে না? একই সাথে মহিপাল সিং এবং প্রকৌশলী দীননাথের নামও কেন বাদ গেল? বিজেপি নেতা রজনীশ সিং ও শঙ্করাচার্য স্বামী অবিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতীর প্রসঙ্গও তিনি টেনে আনেন। তাঁদের নাম কেন বাদ দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সঞ্জয় সিং।
তাঁর দাবি, ট্রাস্টের অনিয়ম নিয়ে এই ব্যক্তিরাও আগে সরব হয়েছিলেন। তাই তদন্ত হলে সকলের বক্তব্যই শোনা উচিত। এই মামলায় ইতিমধ্যেই তদন্ত চালাচ্ছে রাজ্য সরকারের গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। গত ৩ জুলাই তাঁরা দ্বিতীয়বারের মতো রাম মন্দিরে যান। সেখানে গিয়ে তদন্তকারীরা নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। এর আগে ১ জুলাই রাজ্য সরকার একটি বড় পদক্ষেপ নেয়। মামলার সব দিক খতিয়ে দেখতে সিটকে অতিরিক্ত ১৫ দিনের সময় দেয় যোগী সরকার। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন প্রশ্ন সামনে আসছে। ফলে আগামী দিনে এই মামলায় আরও বহু তথ্য প্রকাশ্যে আসতে পারে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।
১৫ দিনে প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে দাম, বিদেশ থেকে চিনি আনার অনুমতিও কেন্দ্রের
১৮টি উড়ান বাতিল, ১৬৬টি বিমান ওঠানামায় দেরি, দিল্লি-এনসিআরে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা
ট্রেনের চাদর নিয়ে এমন বেপরোয়া আচরণে নেটদুনিয়ায় শুরু সমালোচনা
লোকসভার সঙ্গেই ভোটের পথে ২২ রাজ্য, এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলিতে বড় বদলের জল্পনা
পরিবারের গৃহকর্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকবে গ্যাসের টাকা! বছরে ৩ সিলিন্ডার ফ্রি বিজয়ের রাজ্যে
বিয়ের ৪ মাসের মধ্যেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, স্বামী-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ
মানুষ পাঠানোর আগে একের পর এক পরীক্ষা, গগনযান ঘিরে বড় ঘোষণা ISRO চেয়ারম্যানের
দাবি পূরণে কেন্দ্রের উপর চাপ, কালো আইন বাতিলের সুরে রাজধানীতে আন্দোলন
জাতভিত্তিক কোটা বন্ধের দাবি, আলোচনার পথেই সমাধানের পক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
২৭ অগস্ট রাত থেকে ২৮ অগস্ট রাত, সঙ্গীরও লাগবে না ভাড়া
ঢাকার দাবির মাঝেই প্রতিবেশী নীতি নিয়ে ভারতের অবস্থান জানালেন বিদেশমন্ত্রী
ভিলেন হওয়ার ফাঁদে পা নয়! তরুণ বিক্ষোভ সামলাতে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশ
'স্কুল ঠিক করো' কর্মসূচি এবার বিপাকে, দীপকের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রে এফআইআর
পারিবারিক চাপ ও সম্পর্কের টানাপোড়েনে মর্মান্তিক পরিণতি, মৃত্যু এক তরুণীর
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের