নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়াতে এবার পথে নামছেন অবসরপ্রাপ্ত আধাসেনা জওয়ানরা। তাঁদের আন্দোলনের সিদ্ধান্তে রাজধানীতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের দাবিদাওয়া ঘিরে ক্ষোভ আরও প্রকাশ্যে এসেছে। বিষয়টি ঘিরে আবারও বাড়ছে উত্তাপ।
'এক্স প্যারামিলিটারি ফোর্সেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন'-এর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি হবে। সংগঠনের একাধিক শাখা এতে যোগ দেবে। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী বা সিএপিএফের প্রাক্তন কর্মীরাই মূলত সামিল হচ্ছেন। তাঁদের হাতে রয়েছে একাধিক দাবি। সেই দাবিগুলি নিয়েই রাজধানীতে সরব হতে চলেছেন তাঁরা। জানা গেছে, ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন সিএপিএফ আইন।
'সিএপিএফ (জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) আইন, ২০২৬' নিয়েই মূল ক্ষোভ। আইনটি বাতিলের দাবি তুলেছেন প্রাক্তন জওয়ানরা। একই সঙ্গে পুরনো পেনশন স্কিম বা ওপিএস ফেরানোর দাবিও রয়েছে। ডেপুটেশনে থাকা আইপিএস আধিকারিকদের প্রভাব নিয়েও আপত্তি রয়েছে তাঁদের। 'এক্স প্যারামিলিটারি ফোর্সেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন'-এর প্রধান রণবীর সিং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, বহুদিন ধরে তাঁদের কথা শুনছে না কেন্দ্র। তাই আন্দোলন ছাড়া আর কোনও পথ নেই।
রণবীর আরও বলেন, 'এই কালো আইনটি বাতিল করতে হবে। পুরনো পেনশন ব্যবস্থাও ফিরিয়ে আনতে হবে'। তাঁর দাবি, ১২ নভেম্বর থেকেই অনশন শুরু হবে। অভিযোগ, এই দাবিতে আগেই অমিত শাহকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানায় সংগঠন। তবে সরকারের তরফে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি বলে দাবি। রণবীরের কথায়, জওয়ানদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। ডেপুটেশনে থাকা আমলাদের অগ্রাধিকার নিয়েও তাঁর আপত্তি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, 'দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার বদলে আমলাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে'। তাঁর মতে, এতে বাহিনির কর্মীদের আত্মসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও তার প্রভাব পড়তে পারে। তাই নয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তাঁরা। ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া আইনে আইপিএস নিয়োগের পথ আরও স্পষ্ট হয়েছে। সিএপিএফের উচ্চপদে তাঁদের নিয়োগ আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে। আইজি পদের ৫০ শতাংশ আইপিএসদের জন্য নির্দিষ্ট থাকবে।
এডিজি পদের অন্তত ৬৭ শতাংশ ডেপুটেশনে থাকা আধিকারিকদের দিয়ে পূরণ হবে। সিএপিএফের সব স্পেশাল ডিজি ও ডিজি পদও আইপিএস ক্যাডারের জন্য রাখা হয়েছে। গ্রুপ এ আধিকারিকদের ক্ষেত্রে ডিআইজি পদের ৫০ শতাংশ সীমা তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে আইপিএস আধিকারিকদের সংখ্যা আরও বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগে এই নিয়োগগুলি নির্বাহী নির্দেশের মাধ্যমে করা হতো। নতুন আইনে সেগুলিই বিধিবদ্ধ মর্যাদা পেয়েছে।
এই ব্যবস্থা নিয়েই তীব্র আপত্তি সংগঠনের। তাঁদের দাবি, এতে সিএপিএফের নিজস্ব আধিকারিকদের উন্নতির সুযোগ কমবে। পদোন্নতির পথও কঠিন হয়ে পড়বে। আধাসেনার ভিতরে আইপিএস আধিপত্য আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা তাঁদের। সেই কারণেই নয়া আইন প্রত্যাহারের দাবি উঠেছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠন। গত বছর আদালত কেন্দ্রকে একটি নির্দেশ দিয়েছিল।
সেখানে বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবিতে তা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। আইজি স্তর পর্যন্ত আইপিএস ডেপুটেশন ধাপে ধাপে কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। দু'বছরের মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শেষ করার কথা ছিল। পাশাপাশি ৬ মাসের মধ্যে ক্যাডার পর্যালোচনার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। সংগঠনের দাবি, সেই নির্দেশ কার্যকর না করে নতুন আইন আনা হয়েছে।
তাঁদের অভিযোগ, এর ফলে আধাসেনায় আইপিএস আধিকারিকদের প্রভাব বাড়বে। নিজস্ব ক্যাডারের কর্মীদের পদোন্নতির সুযোগও সংকুচিত হবে।এই পরিস্থিতিতেই যন্তর মন্তরে অনশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত জওয়ানরা। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন তাঁরা। ১২ নভেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নজর পড়েছে কেন্দ্রের দিকে। আন্দোলনের পর সরকার কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর।
বিয়ের ৪ মাসের মধ্যেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, স্বামী-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ
মানুষ পাঠানোর আগে একের পর এক পরীক্ষা, গগনযান ঘিরে বড় ঘোষণা ISRO চেয়ারম্যানের
জাতভিত্তিক কোটা বন্ধের দাবি, আলোচনার পথেই সমাধানের পক্ষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
২৭ অগস্ট রাত থেকে ২৮ অগস্ট রাত, সঙ্গীরও লাগবে না ভাড়া
ঢাকার দাবির মাঝেই প্রতিবেশী নীতি নিয়ে ভারতের অবস্থান জানালেন বিদেশমন্ত্রী
ভিলেন হওয়ার ফাঁদে পা নয়! তরুণ বিক্ষোভ সামলাতে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশ
'স্কুল ঠিক করো' কর্মসূচি এবার বিপাকে, দীপকের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রে এফআইআর
পারিবারিক চাপ ও সম্পর্কের টানাপোড়েনে মর্মান্তিক পরিণতি, মৃত্যু এক তরুণীর
পহেলগাঁও হামলার মামলায় হাফিজকে আদালতের নোটিস, পাকিস্তানে ঠিকানায় পাঠাবে ভারত
১৭০০ টন লৌহ আকরিক নিয়ে যাত্রা, মাঝসমুদ্রে ডুবল পানামার পণ্যবাহী জাহাজ
মায়ের মাসিক আয় দেড় লক্ষ হলেও বাবার দায়িত্ব কমবে না, তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ শীর্ষ আদালতের
পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টের স্থগিতাদেশ, সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আন্দোলনকারীদের
স্ত্রীকে ফেরানোর মরিয়া চেষ্টায় ভয়াবহ কাণ্ড, তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের