নিজস্ব প্রতিনিধি , লখনউ - পারিবারিক চাপ ও সম্পর্কের জটিলতা সামলাতে না পেরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটে ভদোহী জেলায়। মৃত তরুণীর নাম কবিতা (১৮)। তাঁর বান্ধবী সাধনার বয়স (১৯)। দু'জনেই ওই এলাকার বাসিন্দা। এদিন পরিবারের সদস্যরা তাঁদের অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কবিতাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। সাধনা এখনও চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। দু'জনেই সালফাস ট্যাবলেট খেয়েছিলেন। ওই ট্যাবলেটে প্রায় ৫৬ শতাংশ অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড থাকে। অত্যন্ত বিষাক্ত এই রাসায়নিক। কী ভাবে তাঁরা ট্যাবলেটগুলি সংগ্রহ করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই ঘনিষ্ঠ ছিলেন কবিতা-সাধনা। একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন তাঁরা। দশম শ্রেণি পর্যন্ত একসঙ্গেই পড়েছেন। নিজেদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতেন।
জীবনের নানা সমস্যাতেও পাশে থাকতেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দু'জনের জীবনেই চাপ বাড়ে। পারিবারিক পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে। প্রায় দু'মাস আগে বিয়ে হয় সাধনার। পরিবারের তরফেই তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সেই বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, স্বামীর সঙ্গে থাকতে পারছিলেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত বাপের বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর থেকেই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সাধনা।
অন্যদিকে কবিতার জীবনেও তৈরি হয়েছিল সমস্যা। এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁর। সেই সম্পর্ক মেনে নেয়নি পরিবার। পরিবারের পছন্দের পাত্রকেই বিয়ে করতে বলা হয় তাঁকে। এই পরিস্থিতিতেও মানসিক চাপ বাড়ছিল কবিতার। দুই বান্ধবী নিজেদের সমস্যাগুলি একে অপরকে বলতেন। পুলিশের তদন্তে আরও তথ্য সামনে এসেছে। বাজার থেকে 'সালফাস' কিনেছিলেন দু'জনে। এরপর সাধনার বাড়িতে চলে যান তাঁরা। সেখানে কবিতা পর পর দু'টি ট্যাবলেট খান। সাধনা একটি ট্যাবলেট নিয়েছিলেন। পরে বাড়ির লোকজন তাঁদের অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত দু'জনকে হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসার মধ্যেই কবিতার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাঁকে বারাণসীতে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। সাধনার বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সার্কেল অফিসার সুমিত ত্রিপাঠী জানান, কবিতার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। কী ভাবে বিষাক্ত ট্যাবলেট সংগ্রহ হয়েছিল, তা দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি দুই তরুণীর সিদ্ধান্তের নেপথ্যে পারিবারিক চাপ কতটা ছিল, সেটিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
১৭০০ টন লৌহ আকরিক নিয়ে যাত্রা, মাঝসমুদ্রে ডুবল পানামার পণ্যবাহী জাহাজ
মায়ের মাসিক আয় দেড় লক্ষ হলেও বাবার দায়িত্ব কমবে না, তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ শীর্ষ আদালতের
পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টের স্থগিতাদেশ, সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আন্দোলনকারীদের
স্ত্রীকে ফেরানোর মরিয়া চেষ্টায় ভয়াবহ কাণ্ড, তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি
ভাইরাল চিঠিতে গুরুতর অভিযোগ, নির্মাণ কমিটির প্রধানের পালটা জবাব
সবজি বিক্রি বাড়াতে রাশিয়ান তরুণীর নাচের অভিনব কৌশল, মুহূর্তেই দোকানের সামনে ভিড়
সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে উত্তেজনা, পরিস্থিতি সামলাতে নামল আধাসেনা
টারবাইন ফেটে আগুন, গুরুতর জখম আরও ১ কর্মী
চিনির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে অদ্ভুত যুক্তি, বিহারের মন্ত্রীর মন্তব্যে কটাক্ষ পাপ্পু যাদবের
নতুন ট্রেডিং নিয়ম আর ব্রোকারদের ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি নীতিতে চাপ
মিড-ডে মিলে কৃমি, আরওয়ালের ৭৫ স্কুলে চাঞ্চল্য
নামী ব্র্যান্ডের বোতলেই বিষাক্ত মদ,৩৮% মিথানলে ৭ প্রাণহানি, হাসপাতালে ৩০
৩ ঘণ্টা ধরে বোঝানোর চেষ্টা, শেষমেশ একই পরিবারের তিন সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের