নিজস্ব প্রতিনিধি , গুয়াহাটি - বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক বিতর্ক আসামে। রাজ্য সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন রাইজর দলের নেতা তথা বিধায়ক অখিল গগৈ। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিশেষ করে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অভিবাসন নিয়ে সরকারের নীতি এখন বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে।
সম্প্রতি বিদেশি নাগরিক সংক্রান্ত কয়েকটি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। গুয়াহাটি হাইকোর্টের বেশ কিছু রায় বাতিল করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। এর পরের দিনই এই বিষয়ে মুখ খোলেন অখিল গগৈ। তাঁর দাবি, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ একটি বাস্তব সমস্যা। তবে শুধুমাত্র সীমান্ত পেরিয়ে মানুষকে ফেরত পাঠিয়ে এর সমাধান সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই স্থায়ী সমাধানের পথ বের করতে হবে।
গগৈর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা অবৈধ অভিবাসনের বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে জীবিত রাখছেন। কিন্তু অভিযুক্তদের ফেরত পাঠানোর জন্য কোনও স্পষ্ট আইনি কাঠামো গড়ে তোলা হয়নি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কার্যকর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রয়োজন। গগৈর মতে, বর্তমান 'পুশব্যাক' নীতি মূলত রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, আইনি ভিত্তি ছাড়া এ ধরনের পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হতে পারে না। তাঁর আশা, কেন্দ্রীয় সরকার ভবিষ্যতে ঢাকার সঙ্গে আলোচনায় বসবে। পাশাপাশি গ্রহণযোগ্য ও স্থায়ী সমাধানের পথও খুঁজবে। তাঁর কথায়, ভারতের মতো দেশের উচিত কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া মেনে এগোনো। তাঁর মতে, বাংলাদেশকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে রাজি করানোর দায়িত্ব সরকারের। যাঁরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ধরা পড়ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসন অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু শুধুমাত্র পুশব্যাকের উপর নির্ভর করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। এর জন্য সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশের সঙ্গে আলাদা প্রত্যর্পণ চুক্তির প্রয়োজন নেই। তাঁর দাবি ছিল, ১৯৫০ সালের 'ইমিগ্র্যান্টস (এক্সপালশন ফ্রম আসাম) অ্যাক্ট'-এর আওতায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।
সেই নীতির ভিত্তিতেই গত কয়েক মাসে ২,০০০-এর বেশি বিদেশিকে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছিল রাজ্য সরকার। তবে অখিল গগৈর বক্তব্য সামনে আসার পর এই নীতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, আগামী দিনে এই ইস্যু আরও বেশি গুরুত্ব পেতে পারে।
হাতে লেখা বার্তা ঘিরে চাঞ্চল্য, শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের অভিযোগ তুলে মৃত্যু মধ্যপ্রদেশের তরুণীর
শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে সোনম ওয়াংচুককে ফোন
ক্রিপ্টো বিনিয়োগে বিপুল মুনাফার প্রলোভন, কয়েক মাসে ২১ কোটিরও বেশি টাকা খোয়ানোর অভিযোগ
নিখোঁজের রহস্যভেদ পুলিশের, জঙ্গলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল দেহাংশ
টানা অনশনের মাঝেই কেন্দ্রকে নিশানা শিক্ষাবিদ, দাবি পূরণ না হলে শাসকপক্ষের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেও দায়ী করলেন ওয়াংচুক
রানি লক্ষ্মীবাঈ স্কুটি প্রকল্পে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজের সেরা ছাত্রীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ
নিম্নমানের গুঁড়ো দুধ, পাম অয়েল ও রাসায়নিক ব্যবহার করে তৈরি হতো সিন্থেটিক দুধ, ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা
বৈধ নথি ছাড়াই একাধিক শহরে ঘোরাঘুরির অভিযোগ, জেরায় বারবার বয়ান বদল, বাড়ছে রহস্য
লোকসভায় দলের নেতা হচ্ছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
তিথি না মানার অভিযোগে বিক্ষোভ
উন্নয়ন প্রকল্পে উপাসনাস্থল অধিগ্রহণে বাধা নয় ১৯৯১ সালের আইন! গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের
মোবাইলের আঘাতেই মৃত্যু? স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর ওড়িশায় রহস্যঘেরা মৃত্যুর তদন্তে পুলিশ
নির্মীয়মাণ শপিং মলে নাবালিকার উপর নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ, গ্রেফতার দুই শ্রমিক
স্ত্রীকে ফেরাতে মাকে বিষ! শাশুড়ির শর্ত মেনে জন্মদাত্রীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
পাকিস্তানি পরিচয় গোপন করে দীর্ঘদিন ভারতে থাকার অভিযোগ, বাতিল ভোটার ও রেশন কার্ড
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...