নিজস্ব প্রতিনিধি , লখনউ - ৭ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের পর করা হল খুন। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে। গ্রেফতার করা হয়েছে দুই শ্রমিককে। তদন্তে নেমে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক তথ্য হাতে পেয়েছে পুলিশ। সামনে এসেছে সিসিটিভি ফুটেজও। কীভাবে শিশুটিকে ফাঁদে ফেলে মলের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযুক্তদের নাম বিনয় কুমার ও সাহাবুদ্দিন। তারা দু'জনেই একটি নির্মাণাধীন শপিং মলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করত। শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ভাই ও বস্তির অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল নির্যাতিতা। এরপর হঠাৎ তার খোঁজ মিলছিল না। তদন্তকারীদের দাবি, চিপস ও ঠান্ডা পানীয়ের লোভ দেখিয়েই শিশুটিকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪০ মিনিটে দুই অভিযুক্তের সঙ্গে মলের ভিতরে ঢুকছে শিশুটি। প্রায় ২ ঘণ্টা পরে ওই দু'জনকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। তবে তাদের সঙ্গে আর ছিল না নাবালিকাটি। পরে মলের বেসমেন্ট থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ।
তদন্তে জানা গেছে, অপরাধের ঘটনাটি ঘটেছিল ভবনের তৃতীয় তলায়। সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ফলে প্রকৃত ঘটনাস্থল খুঁজে বের করতে কিছুটা সময় লাগে পুলিশের। পরে ওই জায়গা থেকে রক্তের দাগ, শিশুটির পোশাক ও একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারীদের অনুমান, স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় শিশুটির বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছিল অভিযুক্তরা। সেই সুযোগেই তাকে কোনও সন্দেহ তৈরি না করে মলের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, ঘটনার আগে দুই অভিযুক্ত মদ্যপান করেছিল। ইতিমধ্যেই তাদের আদালতে পেশ করা হয়েছে। পরে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এসিপি প্রিয়শ্রী পাল জানান, মোবাইলের টর্চের আলো ব্যবহার করে ভবনের ভিতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তৃতীয় তলায় পৌঁছেই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, দায়িত্বে থাকা এক গার্ড জানান, তিনি একটি শিশুর 'বাঁচাও, বাঁচাও' চিৎকার শুনেছিলেন। তবে শব্দটি কাছাকাছি অন্য কোনও এলাকা থেকে আসছে বলে ভেবেছিলেন। তাই বিষয়টি আর খতিয়ে দেখেননি। শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, হত্যা ও পকসো আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।
তিথি না মানার অভিযোগে বিক্ষোভ
উন্নয়ন প্রকল্পে উপাসনাস্থল অধিগ্রহণে বাধা নয় ১৯৯১ সালের আইন! গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের
মোবাইলের আঘাতেই মৃত্যু? স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর ওড়িশায় রহস্যঘেরা মৃত্যুর তদন্তে পুলিশ
স্ত্রীকে ফেরাতে মাকে বিষ! শাশুড়ির শর্ত মেনে জন্মদাত্রীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
পাকিস্তানি পরিচয় গোপন করে দীর্ঘদিন ভারতে থাকার অভিযোগ, বাতিল ভোটার ও রেশন কার্ড
সাধারণ যাত্রীর ছদ্মবেশে বাসে উঠেছিলেন কর্নাটকের পরিবহণমন্ত্রী, কন্ডাক্টরের আচরণ ঘিরে শুরু বিতর্ক
দাম্পত্য কলহের জেরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা, রক্তাক্ত অবস্থায় মায়ের দেহ দেখতে পায় সন্তানরা
কালো জাদুর নামে পুত্রবধূর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, কাঠগড়ায় উদ্ধব ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন সাংসদ বিনায়ক রাউত
লোকসভার সঙ্গে হতে পারে সব বিধানসভা নির্বাচন, কয়েকটি রাজ্যে কমতে পারে বর্তমান মেয়াদ
মেতেই অধ্যুষিত এলাকায় ব্যাপক তাণ্ডব, নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ
কোমর্বিডিটি থাকা রোগীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
নারীদের নিরাপত্তা, বাল্যবিবাহ ও শরিয়া আইন নিয়ে বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার মুখে অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহরসায়
নাবালিকার পরিবারের উপর প্রতিশোধ? তেলেঙ্গানায় জোড়া নয়, একসঙ্গে ৬ খুন
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...