নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বই - বড়সড় ভেজাল দুধ চক্রের হদিশ পেল পুলিশ ও খাদ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ। তদন্তে সামনে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নকল দুধ তৈরি করে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। ইতিমধ্যেই ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
ধারাশিব জেলার ভূম এলাকায় সক্রিয় ছিল এই চক্র। অভিযুক্তদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিক্রির রেজিস্টার ও বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখা হয়েছে। সেখান থেকেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তকারীদের দাবি, গত ছয় মাসে প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৭০ কেজি নিম্নমানের গুঁড়ো দুধ ব্যবহার করা হয়েছে। সেই উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল প্রায় ২৩ লক্ষ ৪ হাজার ৭০ লিটার সিন্থেটিক দুধ। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ কোটি ২১ লক্ষ ৬২ হাজার টাকারও বেশি।
জানা গেছে, প্রতি ১০০ লিটার খাঁটি দুধের সঙ্গে প্রায় ১০ লিটার করে ভেজাল দুধ মেশানো হতো। অর্থাৎ ভেজালের পরিমাণ ছিল প্রায় ১০ শতাংশ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই পদ্ধতিতে তৈরি দুধ মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হয়েছে। হিসেব বলছে, প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ লিটার ভেজাল দুধ বাজারে পৌঁছতে পারে। তদন্তে আরও ধরা পড়েছে, নকল দুধকে আসল দুধের মতো দেখাতে ডিটারজেন্ট পাউডার ব্যবহার করা হতো। তার সঙ্গে মেশানো হতো পাম অয়েল ও নিম্নমানের রাসায়নিক পাউডার।
অভিযানের সময় ৬১ বস্তা ভেজাল গুঁড়ো দুধও বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। এই চক্রের সঙ্গে একাধিক দুধ সংগ্রহ কেন্দ্রের যোগ থাকতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনায় ৭ জনের বিরুদ্ধে কঠোর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। কিন্তু ৮ দিন পরেও অভিযুক্তরা অধরা। তাঁদের খোঁজে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। সম্ভাব্য একাধিক গোপন আস্তানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের দুধ নিয়মিত পান করলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। লিভার, কিডনি ও পরিপাকতন্ত্র গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
শিশু, মহিলা ও প্রবীণদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। তাঁদের জন্য এই ধরনের দুধ কার্যত বিষের সমান। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ঠিক কতদিন ধরে এই চক্র সক্রিয় ছিল। এর সঙ্গে আরও কোনও সংস্থা বা সংগ্রহ কেন্দ্র জড়িত ছিল কি না, তাও দেখা হচ্ছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা গেলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে। জানা গিয়েছে, এই ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে সোনম ওয়াংচুককে ফোন
ক্রিপ্টো বিনিয়োগে বিপুল মুনাফার প্রলোভন, কয়েক মাসে ২১ কোটিরও বেশি টাকা খোয়ানোর অভিযোগ
নিখোঁজের রহস্যভেদ পুলিশের, জঙ্গলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল দেহাংশ
টানা অনশনের মাঝেই কেন্দ্রকে নিশানা শিক্ষাবিদ, দাবি পূরণ না হলে শাসকপক্ষের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেও দায়ী করলেন ওয়াংচুক
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে নতুন বিতর্ক! পুশব্যাক নীতি নিয়ে সরব অখিল গগৈ
রানি লক্ষ্মীবাঈ স্কুটি প্রকল্পে রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজের সেরা ছাত্রীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ
বৈধ নথি ছাড়াই একাধিক শহরে ঘোরাঘুরির অভিযোগ, জেরায় বারবার বয়ান বদল, বাড়ছে রহস্য
লোকসভায় দলের নেতা হচ্ছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
তিথি না মানার অভিযোগে বিক্ষোভ
উন্নয়ন প্রকল্পে উপাসনাস্থল অধিগ্রহণে বাধা নয় ১৯৯১ সালের আইন! গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের
মোবাইলের আঘাতেই মৃত্যু? স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার পর ওড়িশায় রহস্যঘেরা মৃত্যুর তদন্তে পুলিশ
নির্মীয়মাণ শপিং মলে নাবালিকার উপর নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ, গ্রেফতার দুই শ্রমিক
স্ত্রীকে ফেরাতে মাকে বিষ! শাশুড়ির শর্ত মেনে জন্মদাত্রীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
পাকিস্তানি পরিচয় গোপন করে দীর্ঘদিন ভারতে থাকার অভিযোগ, বাতিল ভোটার ও রেশন কার্ড
সাধারণ যাত্রীর ছদ্মবেশে বাসে উঠেছিলেন কর্নাটকের পরিবহণমন্ত্রী, কন্ডাক্টরের আচরণ ঘিরে শুরু বিতর্ক
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...