নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - মাসির বাড়ি যাচ্ছিল মা। নিজের হাতে মাকে গাড়িতে তুলে দিয়ে এসেছিল ছেলে। এরপর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি। উদ্বিগ্ন হয়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পুরোনো বাড়ি থেকে মায়ের মৃতদেহ খুঁজে পেল ছেলে। ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হল বছর ৪২ এর রিনা সাঁতরার মৃতদেহ।
সূত্রের খবর , বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ রীনা হারিট গ্রামে বোনের বাড়ি যাবেন বলে বাড়ি থেকে ছেলেকে নিয়ে বের হন। সুগন্ধা বাগপাড়া মোর থেকে মাকে গাড়িতে তুলে চলে আসেন। ৩০-৪৫ মিনিট লাগে মাসির বাড়ি। তাই ঘন্টাখানেক পর মাসতুতো দাদাকে ফোন করে মায়ের খবর জানতে চাইলে শোনেন পৌঁছায়নি। এরপর সন্ধ্যে গড়িয়ে রাত হয়ে গেলেও মাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
ঘটনার খবর পেয়েই তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। শুক্রবার সকালে পুরোনো বাড়িতে খোজ করতে গিয়ে দেখা যায় সাদা দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া রয়েছে মহিলার। পোলবা থানার পুলিশ মৃতদহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত পাঠিয়েছে। যথেষ্ট স্বচ্ছল অবস্থায় থাকলেও হঠাৎই কেন এমন সিদ্ধান্ত? এই রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য , সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের চকগটু গ্রামের বাসিন্দা রীনা সাঁতরা আর বছর ১৫ নাবালক ছেলেকে নিয়ে থাকতেন।কয়েক বছর আগে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে পুকুরে জলে ডুবে।এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিলেন। সেই মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছিলেন।
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর