নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর - পরের মাসে আজকের দিনের প্রথমা। কিন্তু রাজ্যে বৃষ্টির কমার এখনও কোন সম্ভাবনা নেই। ফলে মাথায় হাত পড়েছে এগরার মৃৎশিল্পীদের। শুধু প্রতিমা তৈরিই তো নয় প্রদীপ , ধুনচি , ঘট, প্রভৃতি মাটির জিনিস দরকার পরে পুজোর কাজে। কিন্তু সমস্যা হলো পর্যাপ্ত পরিমাণ রোদ না ওঠায় মাটির জিনিস শুকোতে দিতে পারছে না শিল্পীরা। ফলে বৃষ্টিতে ভিজছে মৃৎশিল্পীদের সারা বছরের রোজগার।
সূত্রের খবর , এবছর বর্ষা না কমায় মাথায় হাত পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার মৃৎশিল্পীদের। এদের মধ্যে কেউ ৩০ বছর ধরে কেউবা আবার ৫০ বছর ধরে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। মাটির জিনিস তৈরী করে তা রোদে শুকোতে হয় কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমান রোদের অভাবে এবারের জিনিস তৈরী করতে যথেষ্ট সম্যসায় পড়ছে শিল্পীরা। তাদের আশঙ্কা 'এবারের অর্ডার তারা ঠিক মতো শেষ করে দিতে পারবে না।'
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গা উৎসব। এই সময়টাতেই মৃৎশিল্পীদের সারা বছরের রোজগার আসে। এই সময়তেই মাটির জিনিসের চাহিদাও থাকে সবথেকে বেশি। কিন্তু এবারে যথেষ্ট বায়না থাকা সত্ত্বেও জিনিস তৈরী করতে পারছে না তারা। ফলে যথেষ্ট লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। তারা আক্ষেপ করে বলছেন , 'প্রতিবার জিনিস তৈরী করে সাপ্লাই দিয়ে যা রোজগার হয় তাতেই তাদের বাচ্চাদের পুজোর জন্য জিনিস কিনে দেওয়া হয়, কিন্তু এবারে পুজো কেমন কাটবে তার কোনো ঠিক নেই।'
ঘটনা প্রসঙ্গে এক মৃৎশিল্পী স্বপন দাস জানান, 'পরিবারের সকলে মিলে এই কাজ করি। পুজো আসলে রোজগার তারপর আর কোনো রোজগার হয়না। এবারে পুজোতেও কোনো কাজ করতে পারছি না। অনেক দূরদূরান্ত থেকে অর্ডার আসে কিন্তু এবারে অর্ডার ঠিকঠাক দিতে পারবো কিনা জানি না। সরকার থেকে কোনো সাহায্যও পাওয়া যাচ্ছে না।'
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর