নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - জ্বর, হাত-পা ব্যথা, শরীর ভেঙে যাওয়া, এমন উপসর্গে একের পর এক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এক সপ্তাহে প্রায় তিরিশ জন গ্রামবাসীর মধ্যে চিকনগুনিয়ার লক্ষণ ধরা পড়েছে, আর তাতেই নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জারুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পোলবা গ্রামীণ হাসপাতালের উদ্যোগে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য শিবির আয়োজন করা হয়। সেখানে আক্রান্তদের রক্ত সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি গ্রামজুড়ে বাড়ি-বাড়ি প্রচার অভিযান ও মাইক প্রচার চালানো হয় যাতে মানুষ সচেতন হয় এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে।

শিবিরে এইদিন উপস্থিত ছিলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার, পোলবা বিডিও জগদীশ বাড়ুই, পোলবা গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ কৌশিক মণ্ডল এবং সুগন্ধা পঞ্চায়েতের প্রধান সুব্রত ঘোষ। তারা শিবিরে এসে গ্রামবাসীদের মধ্যে মশারি বিতরণ করেন এবং এলাকাবাসীকে সচেতন থাকার বার্তা দেন।বর্তমানে স্বাস্থ্য দপ্তর আক্রান্তদের পর্যবেক্ষণে রেখেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত ও প্রশাসন মিলে জারুরা এবং আশপাশের গ্রামগুলিতে মশা নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতা বাড়ানোর কাজ শুরু করেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বিধায়ক অসিত মজুমদার জানান, “চিকনগুনিয়া এডিস মশার কামড়ে ছড়ায়। তাই মশা জন্মানোর সুযোগ না দিয়ে বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সচেতন থাকলেই এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।”

পোলবা গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ কৌশিক মণ্ডল বলেন, “১০ অক্টোবর প্রথম জারুরা গ্রামে কয়েকজন জ্বর ও শরীরব্যথায় ভুগছিলেন। ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর চিকনগুনিয়ার পরীক্ষা করা হয়, তাতেই রোগটি ধরা পড়ে।”
তিনি আরও জানান, “চিকনগুনিয়ায় আক্রান্তদের জ্বর, হাত পায়ে তীব্র ব্যথা, শরীরে দুর্বলতা দেখা দেয়। যদিও মৃত্যুর হার কম, কিন্তু আক্রান্তরা দু’তিন মাস পর্যন্ত দুর্বলতায় ভোগেন। একজন আক্রান্তের মাধ্যমে আরও অনেকের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারে। তাই মশারি ব্যবহার, জল জমতে না দেওয়া এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখার দিকেই জোর দিতে হবে।”

স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে আবারও স্বাস্থ্য শিবির আয়োজন করা হবে এবং নিয়মিত নজরদারি চলবে আক্রান্ত এলাকায়।

অন্যদিকে, আক্রান্ত গ্রামবাসী সুজাতা দাস জানিয়েছেন, “প্রথমে জ্বর আসে, তারপর হাত পায়ে এমন ব্যথা হয় যে বিছানা থেকে ওঠা যায় না। একবার এই রোগ হলে অনেক দিন পর্যন্ত তার প্রভাব শরীরে থেকে যায়।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়