নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - পারিবারিক অশান্তি কখনও কখনও এমন মর্মান্তিক পরিণতির দিকে গড়ায়, এবার দেখা গেল তার জ্বলন্ত উদাহরণ। অশান্তি থেকে শুরু, শেষ হলো রক্তাক্ত হত্যাকাণ্ডে। স্বামীর হাতে প্রাণ গেল এক গৃহবধূর। ঘটনায় স্তম্ভিত স্থানীয় বাসিন্দারা।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার রানাঘাটের বীরনগর লাইব্রেরি পাড়ায়। দীর্ঘদিন ধরেই বীরনগরের বাসিন্দা প্রাণ কৃষ্ণ সাহা ও তাঁর স্ত্রী বেবি সাহার মধ্যে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। বুধবার রাতে বচসা চরমে ওঠে। রাগের মাথায় প্রাণ কৃষ্ণ ধারালো অস্ত্র নিয়ে উত্তেজিত অবস্থায় স্ত্রীর উপর চড়াও হয়। পেটে একাধিকবার ছুরি দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ।

রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার করতে থাকেন বেবি সাহা। তাঁর আর্তনাদে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু ততক্ষণে অভিযুক্ত স্বামী বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় রক্তাক্ত গৃহবধূকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত বীরনগর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে রানাঘাট হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছায় তাহেরপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্ত স্বামীর খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ইতিমধ্যেই এলাকাবাসীর বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রায়ই দম্পতির মধ্যে অশান্তি হত। কিন্তু এমন পরিণতি হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। বীরনগর জুড়ে এখন শোকের ছায়া, সঙ্গে ক্ষোভও। অনেকেই বলছেন, “একই ছাদের নিচে থাকা দুইজনের মধ্যে যদি এতটা দূরত্ব তৈরি হয়, তবে তা সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর বার্তা।” বর্তমানে পলাতক স্বামীর সন্ধানে তৎপর পুলিশ। গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘিরে।

মৃতার আত্মীয় সুমিতা দাস জানান, “দোকানে ছিলাম, ও নিজেই অর্ধচেতন অবস্থায় ফোন করে বলে পিউ অর্থাৎ আমার বৌমার বাবা এই ভাবে পেটে ছুঁড়ি মেরেছে। তারপর আমরা এসে প্রথমে বীরনগরে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মারা যায়।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়