নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। পরিণতি, স্ত্রী ও পুত্রের মৃত্যু। ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত স্বামী। অভিযোগ, এক গৃহবধূ ও তাঁর কিশোর পুত্রকে ক্রমাগত অপমান, গালিগালাজ ও মানসিক অত্যাচার চালাতো পরিবারের কর্তা। সেই যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে শেষমেশ প্রাণ হারাল দু’জনই। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়েছে চারিদিকে।
পুলিশ সূত্রে খবর , ঈশ্বরচন্দ্রপুর এলাকার মানিক মজুমদারের মেয়ে পাপিয়া মজুমদারের সঙ্গে ১৬ বছর আগে তাতলা নতুনপাড়ার প্রবীর বিশ্বাসের বিবাহ হয়। তাঁদের একমাত্র ছেলে প্রলয় বিশ্বাসের বয়স মাত্র ১৫ বছর। অভিযোগ, বিবাহের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা নানা অছিলায় পাপিয়ার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতেন। সংসারের শান্তির জন্য এতদিন মুখ বুজে সব সহ্য করেছিলেন তিনি।
চলতি মাসের ৬ অক্টোবর, লক্ষ্মীপুজোর আয়োজনের মধ্যেই ঘটে বিপর্যয়। অভিযোগ, সেদিন স্বামী প্রবীর বিশ্বাস নিজের ছেলে প্রলয়কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও অপমান করেন। বাবার এমন আচরণ সহ্য করতে না পেরে প্রলয় বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। মায়ের কাছে খবর পৌঁছাতেই তিনিও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে একইভাবে বিষপান করেন।
দুজনকেই গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের কৃষ্ণনগর শক্তিনগর ও পরে কল্যাণীর জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু শেষমেশ মৃত্যু হয় মা পাপিয়া ও পুত্র প্রলয়ের। এরপর মৃতার মা মীরা মজুমদার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করে পাপিয়ার স্বামী প্রবীর বিশ্বাসকে এবং বৃহস্পতিবার তাকে কৃষ্ণনগর জেলা দায়রা আদালতে পেশ করে।

স্থানীয়দের দাবি, এই পরিবারের অশান্তি বহুদিনের। প্রায়ই ঝগড়ার শব্দ শোনা যেত বাড়ি থেকে। পাপিয়ার মৃত্যু যেন সেই নীরব যন্ত্রণার শেষ ছবি।
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়