নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - তরুণীকে যৌন হেনস্থা মামলায় ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীকে ১০ দিনের জন্য জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ঘটনায় গোপন জবানবন্দী দিতে রাজি হয়েছেন নির্যাতিতা। তবে তার আগেই সেই দুঃস্বপ্নের রাতের বর্ণনা দিলেন তরুণী। শমীকের বিরুদ্ধে যা বললেন তা পৈশাচিক কর্মকাণ্ডের থেকে কোনো অংশে কম নয়। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতা।
নির্যাতিতা জানিয়েছেন , "শমীক নতুন ফ্ল্যাটে শিফট করছে তাই বন্ধুর মতোই ডেকেছিল। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ আমি যাই ওর সঙ্গে দেখা করতে যাই। ওর মা-বাবার সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়ে জিনিসপত্র গোছাতে সাহায্য করি। পরেরদিন যেহেতু কলেজ ছিল তাই রাত ৯টা নাগাদ আমি বেরিয়ে আসার জন্য ক্যাব বুক করতে যাই। আমার হাত থেকে তখনই মোবাইল নিয়ে যেতে বারণ করে শমীক। এরপরই আমার মোবাইল ঘাঁটা শুরু করে। সেখানেই অন্য এক ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে আমাকে কথা বলতে দেখে ওর ইগোতে আঘাত লাগে। এরপরই দরজা বন্ধ করে আমাকে মারধর শুরু করে।"
নির্যাতিতা আরও বলেন , "ওর মা-বাবা ওখানে তখন উপস্থিত ছিল। আমি তখন যেটাই উত্তর দিই না কেন, সব কথাতেই আমাকে মারছিল। মারের চোটে আমার এক চোখ ফুলে যায়। আমার চোখের নিচে এখনও কালশিটে ধরে যায়। এরমাঝে আমার চিৎকার শুনে ওর মা-বাবা আসে। তখন ও নিজে সুইসাইডের হুমকি দেয়। ওর বাবা-মা তাতেই ভয় পায়। কিন্তু আমাকে মারছে দেখেও ওরা আমাকে একা ফেলে চলে যায়। আমি ওর মাকে ইশারা করে বলতে থাকি ‘আন্টি, কাউকে একটা ফোন করো।’ কারণ , আমার ফোন আমার কাছে ছিল না। কিন্তু ওর মা আমার কথা না শুনেই আমাকে ওখানে ছেড়ে চলে যায়। কারণ ওরা নিজেই ভয় পাচ্ছিল শমীকের এহেন রূপ দেখে। আমাকে মারতে মারতে জিজ্ঞেস করছিল আরও লাগছে কিনা।"
এরপর তরুণী আরও বলেন , "এমনিতেই চশমা ছাড়া দেখতে পাই না। মারের চোটে তখন আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসে। রাতভর এরকম পাশবিক আচরণ করেছে। ওর মা তারপর এসে আমার জামাকাপড় চেঞ্জ করিয়ে দেয়। তখন আমি বারবার বাড়ি ফেরার জন্য শমীক আর ওর মা-বাবার কাছে অনুরোধ করি। কিন্তু ওরা আমার চেহারা দেখে আমাকে বাইরে যেতে না বলে। সেসময়ে আমার শরীর ছেড়ে দিয়েছিল। মারের চোটে আমি অজ্ঞান হয়ে গেছিলাম। তার পরের ঘটনা মনে নেই।"
শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে ন্যায় সংহিতার ১২৭(২), ১১৫(২), ৭, ৪ এবং ৩৫১(২) ধারায় মামলা আগেই রুজু হয়েছিল, এবার তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ৬৪ ধারাও, অর্থাৎ ধর্ষণের মামলাও রুজু করা হচ্ছে। ধর্ষণের অভিযোগ নিজে মুঝে স্বীকার করায় মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়েছে অভিযুক্তের। অন্যদিকে একইভাবে নির্যাতিতারও শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়েছে। যেখানে মারধরের ছাপ স্পষ্ট দেখা গেছে। রিপোর্টে পরিষ্কার যে তরুণীকে মারধর করেছেন শমীক।
একসঙ্গে জোড়া মামলা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে
অভিযোগ পিছু ছাড়ছেনা স্যান্ডির
বিচ্ছেদ জল্পনার পর নয়া চমক সুনীতার
বড়সড় শাস্তির সম্ভাবনা অভিযুক্ত শমীকের
ঘটনায় চরম বিতর্ক সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিনোদন জগতে
ছবি ঘোষণার পর থেকেই রাতের ঘুম উড়েছে অভিনেতার
রাজ্যসভার প্রথম ভাষণেই লাইমলাইট কাড়লেন দক্ষিণী অভিনেতা
বৃহস্পতিবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে শমীকের বিরুদ্ধে
এপস্টেইন ফাইলে রয়েছে বিশ্বের একগুচ্ছ সম্মানীয় ব্যক্তিদের নাম
ছবির পর এবার অভিনেতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
বেহালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা
গোমাংস কাণ্ডের পর ফের বিতর্কে সায়ক
টেকনিশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে সংঘাতের জেরে এখন রঙিন পর্দা থেকে দূরে অভিনেতা
মুক্তির ঘোষণা হতেই আনন্দে আত্মহারা আলিয়াভক্তরা
খবর ছড়াতেই উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা
একাধিক এলাকায় ৬-১২ ইঞ্চি তুষারপাত
অভিযুক্তরা ইসলামিক স্টেট্সের সঙ্গে যুক্ত
শিয়া মসজিদের সামনে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ
১৬.৪ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি জরিমানা
দুই কেন্দ্র থেকে লড়বে খালেদা পুত্র