নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - তরুণীকে রাতভর আটকে রেখে শারিরীক নির্যাতন মামলায় ১০ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে থাকবেন ননসেন। তার বিরুদ্ধে গোপনভাবে মুখ খুলেছিলেন নির্যাতিতা। এবার গুণধর ছেলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মা বাবা। ঘটনায় ঘোর বিপাকে শমীক। বড়সড় সাজা হতে পারে ভাইরাল বয়ের।
সম্প্রতি ‘বাটন’ শীর্ষক এক ভিডিওতে বাংলার বিরোধী শিবিরের হয়ে প্রচার করেছিলেন বলে দাবি একাংশের। সেই সূত্রেই শাসক দলকে টেনে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে কুৎসায় নেমেছে একদল নেটবাসিন্দা। এমতাবস্থায় অভিযুক্ত শমীকের মা-বাবা ছেলের দোষ স্বীকার করে নিলেন। এবার আর বুঝতে বাকি নেই শমীক আসলেই দোষী।
শমীকের মা বাবা একাধিকবার তাদের বয়ানে স্বীকার করছেন যে তাদের ছেলে ওই তরুণীকে চর মেরেছেন। তার মা জানিয়েছেন , "আমি কিছু বুঝতেই পারিনি ওরা কী বলছে। আমরা ভেবেছি ওদের ব্যক্তিগত বিষয়, তাই আমরা মাঝখানে যাইনি। আমাদের ঘর শিফট হচ্ছে বলে আমরাও নানান কাজে ব্যস্ত। এবার পরিস্থিতি এত জটিল হয় যে ওকে একটা চড় মারে শমীক।" বাবা বলেছে , "চেঁচামেচি শুনে আমি তখন দৌড়ে যাই। হয়তো হাত ধরে টানাটানিতেই কালশিটে পড়ে যায়।"
নির্যাতিতা জানিয়েছিলেন , "ওর মা-বাবার সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়ে জিনিসপত্র গোছাতে সাহায্য করি। পরেরদিন যেহেতু কলেজ ছিল তাই রাত ৯টা নাগাদ আমি বেরিয়ে আসার জন্য ক্যাব বুক করতে যাই। আমার হাত থেকে তখনই মোবাইল নিয়ে যেতে বারণ করে শমীক। এরপরই আমার মোবাইল ঘাঁটা শুরু করে। সেখানেই অন্য এক ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে আমাকে কথা বলতে দেখে ওর ইগোতে আঘাত লাগে। এরপরই দরজা বন্ধ করে আমাকে মারধর শুরু করে।"
এরপর আরও বলেন , "ওর মা-বাবা ওখানে তখন উপস্থিত ছিল। আমি তখন যেটাই উত্তর দিই না কেন, সব কথাতেই আমাকে মারছিল। মারের চোটে আমার এক চোখ ফুলে যায়। আমার চোখের নিচে এখনও কালশিটে ধরে যায়। এরমাঝে আমার চিৎকার শুনে ওর মা-বাবা আসে। তখন ও নিজে সুইসাইডের হুমকি দেয়। ওর বাবা-মা তাতেই ভয় পায়। পরে ওর মা তারপর এসে আমার জামাকাপড় চেঞ্জ করিয়ে দেয়। তখন আমি বারবার বাড়ি ফেরার জন্য শমীক আর ওর মা-বাবার কাছে অনুরোধ করি। কিন্তু ওরা আমার চেহারা দেখে আমাকে বাইরে যেতে না বলে। সেসময়ে আমার শরীর ছেড়ে দিয়েছিল। মারের চোটে আমি অজ্ঞান হয়ে গেছিলাম। তার পরের ঘটনা মনে নেই।"
অভিযুক্ত শমীক অধিকারীর বিরুদ্ধে ন্যায় সংহিতার ১২৭(২), ১১৫(২), ৭, ৪ এবং ৩৫১(২) ধারায় মামলা আগেই রুজু হয়েছিল, এবার তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ৬৪ ধারাও, অর্থাৎ ধর্ষণের মামলাও রুজু করা হচ্ছে। ধর্ষণের অভিযোগ নিজে মুঝে স্বীকার করায় মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়েছে অভিযুক্তের। অন্যদিকে একইভাবে নির্যাতিতারও শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়েছে। যেখানে মারধরের ছাপ স্পষ্ট দেখা গেছে। রিপোর্টে পরিষ্কার যে তরুণীকে মারধর করেছেন শমীক।
একসঙ্গে জোড়া মামলা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে
অভিযোগ পিছু ছাড়ছেনা স্যান্ডির
বিচ্ছেদ জল্পনার পর নয়া চমক সুনীতার
ঘটনায় চরম বিতর্ক সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিনোদন জগতে
ঘটনায় ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতে শমীক
ছবি ঘোষণার পর থেকেই রাতের ঘুম উড়েছে অভিনেতার
রাজ্যসভার প্রথম ভাষণেই লাইমলাইট কাড়লেন দক্ষিণী অভিনেতা
বৃহস্পতিবার ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে শমীকের বিরুদ্ধে
এপস্টেইন ফাইলে রয়েছে বিশ্বের একগুচ্ছ সম্মানীয় ব্যক্তিদের নাম
ছবির পর এবার অভিনেতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
বেহালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা
গোমাংস কাণ্ডের পর ফের বিতর্কে সায়ক
টেকনিশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে সংঘাতের জেরে এখন রঙিন পর্দা থেকে দূরে অভিনেতা
মুক্তির ঘোষণা হতেই আনন্দে আত্মহারা আলিয়াভক্তরা
খবর ছড়াতেই উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা
একাধিক এলাকায় ৬-১২ ইঞ্চি তুষারপাত
অভিযুক্তরা ইসলামিক স্টেট্সের সঙ্গে যুক্ত
শিয়া মসজিদের সামনে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ
১৬.৪ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি জরিমানা
দুই কেন্দ্র থেকে লড়বে খালেদা পুত্র