নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলায় জেলায় দলের শেষ বিজয়া সম্মিলনী। সেই বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠান থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র সুর চড়ালেন তৃণমূল নেত্রী ও রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। তালডাঙরার সভা থেকে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তার স্পষ্ট বার্তা, 'আগামী দিনে ঝাণ্ডা বাঁধার মতো একটাও খুঁটি যেন বিজেপি না পায়।'
সূত্রের খবর, ত্রিপুরা যাওয়ার পথে দমদম বিমানবন্দরে তৃণমূল নেত্রী ও বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার কেক খাওয়া নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়। পূর্বেই বিরোধীদের করা মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে শাসক দল সঙ্গে বনমন্ত্রী নিজেও। বিজয়া সম্মিলনীর উৎসবেও বিজেপির বিরুদ্ধে একহাত নিলেন তৃণমূল নেত্রী। তালডাঙরার সভায় বীরবাহা হাঁসদা বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ' রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে ত্রিপুরার মতো অবস্থা হবে। আমরা গাড়ি ভাড়া পাব না। আমাদের ঘরের বাচ্চারা জন্মদিনে সামান্য কেকও খেতে পারবে না। কারণ ওদের মতে কেক খাওয়া অপরাধ।'
তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, ' বিজেপি সাধারণ মানুষ ও আদিবাসীদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়। ত্রিপুরায় যাওয়ার দিন আমার জন্মদিনে ৩০ টাকার কেক কেটে সহকর্মীদের খাওয়ানোর পর থেকেই বিজেপি আমাকে কটাক্ষ করছে। তারা যেন প্রমাণ করতে চাইছে, আদিবাসীরা কেক খেতে পারে না।'
মন্ত্রী আরও বলেন, 'বাংলায় একটাই দল সেটা হচ্ছে তৃণমূল একটাই নেত্রী সেটা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজনই নেতা সেটা হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা চাই না বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় আসুক। ওরা এলে আমাদের মতো মানুষদের বাঁচা দায় হয়ে যাবে। তাই সাধারণ মানুষকে বলবো ওরা আগামী নির্বাচনে একটা ঝান্ডা বাঁধার মতো খুঁটিও পায়।'
অন্যদিকে, বীরবাহা হাঁসদার মন্তব্যের পাল্টা সুর চড়িয়েছে বিরোধী শিবির। মন্ত্রীর জবাবে বাঁকুড়া জেলা বিজেপি সভাপতি প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি বলেন, ' তৃণমূল স্বপ্ন দেখতে থাকুক। ২৬ এ সব স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে। বনমন্ত্রী নিজেই বললেন যদি বিজেপি আসে তার মানে বিজেপি আসার ভয় আছে। জনগণ ঠিক করে নিয়েছে ২০২৬ সালে বাংলায় বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে। তা সে যতই বলুক পতাকা লাগাতে দেবে না।' পাশাপাশি তৃণমূলের শাসনকালে উত্তরবঙ্গের সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে তিনি ব্যঙ্গ করে বলেন, 'এটা যেন ‘পুষ্পা-৩’-এর ট্রেলার।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়