নিজস্ব প্রতিনিধি নদীয়া - অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধর ও ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগে সম্প্রতি তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ , মহিলার স্বামী বাড়িতে না থাকার সময় দুজন ব্যক্তি তার বাড়িতে প্রবেশ করে। তারপর তাকে মারধর করেন এবং ফোন ছিনিয়ে নেন। ঘটনায় আহত হলেও তিনি চিকিৎসা করানোর পরিবর্তে সরাসরি থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার সন্ধ্যে ৬ টা নাগাদ ওই মহিলার স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে দু জন ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাত করে। শুধু তাই নয়, হাত থেকে জোরপূর্বক ফোন কেড়ে নিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে আহত মহিলা চিকিৎসা করানোর পরিবর্তে সরাসরি থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যেই উভয় পক্ষের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার সময় উপস্থিত কিছু প্রতিবেশীর সঙ্গেও কথা বলেছে তদন্তকারী অফিসাররা। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ সত্যি নাকি পরিকল্পিতভাবে সাজানো, তা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।”

স্বামী অর্ণব সরকার অভিযোগ করেন, তাঁর অনুপস্থিতিতে স্থানীয় যুবক সুরজিৎ বিশ্বাস ওরফে বাপ্পা তাঁর স্ত্রীকে কুরুচিকর ভাষায় অপমান করে ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে পালায়। পুরুলিয়ায় এক প্রোজেক্ট নিয়ে বাপ্পার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় বিরোধ। অগ্রিম টাকা ও খরচ ফেরতের দাবিতে চাপ সৃষ্টি করছিল সে। আগেও মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে এসে অশান্তি করেছে বলে অভিযোগ। হঠাৎই এদিন গর্ভবতী স্ত্রীর উপর হামলা চালানোয় শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অর্ণববাবু, অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সুকন্যা সরকার নামের ওই মহিলা জানান, “আক্রমণকারীদের নাম সুরজিৎ বিশ্বাস ও প্রদীপ সরকার। অকথ্য গালিগালাজ করার পর আমাকে মারধর করা শুরু করলে আমি কোনোরকম নিজেকে একটা ঘরের মধ্যে দরজা আটকে রক্ষা করি। স্বামীর অনুপস্থিতিতে ওরা আঁকে পেটেও আঘাত করে। মেয়ে নিয়ে এক থাকি। সেই আতঙ্কেই শান্তিপুর থানার দারস্থ হয়েছি।”

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলেও, তাঁরা সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, এই পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছে তাঁদের ফাঁসানোর জন্য। তাঁদের বক্তব্য, “আমরা কেবল সুকন্যা দেবীর স্বামীর কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়েছিলাম। কারও গায়ে হাত তুলি নাই বা কোনও রকম অসদাচরণ করি নাই।

মহিলার স্বামী বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে একাধিক চেক দেন, কিন্তু সব চেকই ব্যাংকে বাউন্স হয়েছে। সেই টাকা ফেরত চাইতেই এখন আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে।”
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর