নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - পাথর ব্যবসায়ী নাজিবুদ্দিন মণ্ডল ওরফে টুলু মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে নতুন মোড়। এখনও অধরা অভিযুক্ত। এবার তাঁর খোঁজে গ্রামে গ্রামে মাইকিং করল পুলিশ। সিউড়ির বিলাসবহুল বাড়ির সামনেও সাঁটানো হল আদালতের হুলিয়ার নোটিস। মহম্মদবাজারের একাধিক ঠিকানাতেও একই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয় এই তৎপরতা। সিউড়ির সুভাষপল্লিতে টুলুর ডালিলা ভবনের সামনে নোটিস লাগায় পুলিশ। মহম্মদবাজারে তাঁর নামে থাকা বাড়িগুলিতেও পৌঁছন আধিকারিকরা। সম্ভাব্য একাধিক ঠিকানায়ও দেওয়া হয় কোর্টের নির্দেশ। পাথর খাদান এলাকাতেও মাইকিং করা হয়। আদালতের ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, টুলুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। কিন্তু এখনও তাঁর সন্ধান মেলেনি। গ্রেফতার এড়াতেই তিনি আত্মগোপন করেছেন বলে আদালতকে জানানো হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হতে হবে টুলুকে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় এসিজেএম কোর্টের হাজিরার নির্দেশ রয়েছে। সেখানেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে হবে। ১০ অগস্ট এই ঘোষণাপত্র জারি হয়েছিল। নথিতে একাধিক গুরুতর অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে। সংগঠিত অপরাধের অভিযোগও রয়েছে। রয়েছে প্রমাণ নষ্টের অভিযোগ। পাশাপাশি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা ও জালিয়াতির ধারাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এই মামলার সূত্রপাত ডেউচার একটি ঘটনায়। মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল নগদ টাকা। মিলেছিল সোনাও। তদন্তে সেই ঘটনায় উঠে আসে টুলুর নাম। এরপর তদন্তের পরিধি বাড়তে থাকে। টুলুর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বলে সন্দেহ হওয়া প্রায় ২০টি জায়গায় তল্লাশি চলে। সেখান থেকে বিভিন্ন নথি উদ্ধার হয়। এখনও পর্যন্ত ৬ জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের বয়ানও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
তদন্তকারীদের দাবি, গোটা ঘটনায় একটি 'সিন্ডিকেট ক্রাইম'-এর যোগ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সেই চক্রের নেতৃত্বে ছিলেন টুলু মণ্ডল। সরকারি পক্ষও আদালতে একই ধরনের অভিযোগ জানিয়েছে। আরও দাবি করা হয়েছে, গ্রেফতার এড়াতে দেশ ছেড়ে বিদেশে গা-ঢাকা দিয়েছেন টুলু। যদিও এই অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও বিচারাধীন। আদালতে মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে টুলুর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারির আবেদন করেন বিশেষ সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায়। সেই আবেদনের পরেই আদালত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। কোর্টের নির্দেশ মেনেই বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে নোটিস সাঁটানোর কাজ শুরু হয়। পরিচিত এলাকা ও সম্ভাব্য আস্তানাতেও প্রচার চালানো হচ্ছে। মহম্মদবাজারের পাথর খাদান এলাকাতেও মাইকিং হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আদালতের সময়সীমার মধ্যে টুলু হাজির না হলে বাড়তে পারে আইনি চাপ। তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তাঁকে ঘোষিত অপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করার পদক্ষেপও হতে পারে। মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে। তবে আইনি লড়াইয়ের পথও খোলা রেখেছেন টুলু। ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, আইনজীবীর মাধ্যমে কলকাতা হাইকোর্টে রক্ষাকবচ চেয়েছেন তিনি।
ফলে এখন তিনটি দিকেই নজর। একদিকে নিম্ন আদালতের হুলিয়া। অন্যদিকে পুলিশের লাগাতার তৎপরতা। পাশাপাশি হাইকোর্টে টুলুর আবেদনের ভবিষ্যৎ। সিউড়ির বাড়িতে নোটিস পড়েছে। খাদান এলাকাতেও চলছে প্রচার। আর আদালতও বেঁধে দিয়েছে নির্দিষ্ট দিন। ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় টুলু হাজির হন কি না। নাকি আইনি পথেই লড়াই চালান।
ভিতর থেকে বন্ধ ছিল দরজা, ডাকাডাকিতেও মেলেনি সাড়া, ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ খুঁজছে পুলিশ
১৭ আগস্ট থেকে যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে অর্থ
মমতা জমানার শংসাপত্র নিয়ে হাইকোর্টের বড় সিদ্ধান্ত
নির্দিষ্ট দিনে খুলবে অগ্রিম টিকিটের সুযোগ
আগামী ২০ আগস্ট রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ
নতুন নির্দেশে বদলাতে হবে পুরনো প্যাকেট
অগাস্ট থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন ভাতা
মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
তথ্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া-যুব কমিটির চেয়ারম্যান রুদ্রনীল ঘোষ
চিকিৎসার সুবিধা পেতে জেনে নিন সহজ পদ্ধতি
১৪ আগস্ট মেয়েদের মিছিলের আহ্বান অগ্নিমিত্রার
অগস্টে ফের কমল বাণিজ্যিক এলপিজির দর
মমতার আমল নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপের মন্তব্য
বুধবার বিধানসভায় বসছে বিশেষ অধিবেশন
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের