নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - নবগ্রাম কলেজ রোডে ঢালাই শুরু হতেই সামনে এলো নানা অভিযোগ। কোথাও চার ইঞ্চি, কোথাও ছ ইঞ্চি ঢালাই। অথচ নিয়ম মেনে হওয়ার কথা আট ইঞ্চি। শুধু তাই নয়, লোহার রড ব্যবহার না করার অভিযোগও উঠেছে। এই ইস্যু ঘিরেই পোস্টার মেরে সরব হলো সিপিএম। আশ্চর্যের বিষয়, সেই অভিযোগে সুর মিলিয়েছেন শাসক তৃণমূলেরই প্রাক্তন প্রধান।
সূত্রের খবর, গত সোমবার কোন্নগর নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে ফের সামনে এলো তৃণমূল-সিপিএম দ্বন্দ্ব। রাস্তা ঢালাই নিয়ে অভিযোগ তুলে পোস্টার মারল সিপিএম।কলেজ রোডের ওই রাস্তা ঢালাই হওয়ার কথা ছিল আট ইঞ্চি মাপে। কিন্তু বাস্তবে কোথাও চার, কোথাও ছ’ইঞ্চি ঢালাই হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। শুধু তাই নয়, রাস্তা তৈরির সময় লোহার রড ব্যবহার করার কথাও নাকি মানা হয়নি।বিরোধীদের অভিযোগ, “উন্নয়নের আমরা বিরোধী নই, কিন্তু প্রস্তাব মতো কাজ না হলে তার প্রতিবাদ করব।” সেই সুরেই গ্রামে একাধিক পোস্টার ঝুলিয়েছে তারা।
অভিযোগকে সমর্থন করেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান সহ বর্তমান সদস্য শিবানী দত্তও। তিনি বলেন, “রাস্তার আট ইঞ্চি ঢালাই হওয়ার কথা ছিল, হয়েছে মাত্র ছ’ইঞ্চি। আমরা প্রধানকে সিডিউল চাইতে গিয়েছিলাম, উনি জানিয়েছেন তাঁর কাছে কোনো ওয়ার্ক অর্ডারই নেই। সিডিউল ছাড়া রাস্তা তৈরি হয় কীভাবে?” একইসঙ্গে তিনি আরও অভিযোগ তোলেন, আসন্ন বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখেই সিপিএম ফের মাথাচারা দিয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, সিপিএমের বিরোধী দলনেতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা উন্নয়ন বিরোধী নই, কিন্তু নবগ্রামে মানুষের ট্যাক্সের টাকায় রাস্তা হচ্ছে। সেখানে বালি, পাথর, সিমেন্ট, রড যা দেওয়ার কথা, তা দেওয়া হচ্ছে না। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই রাস্তা ভেঙে যাবে।”

পাল্টা জবাব দিয়ে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অলক পাল জানান , “সমিতির ইঞ্জিনিয়াররা এস্টিমেট অনুযায়ী কাজ হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন। রাস্তা তৈরি শেষ হলে সবাই নিজেই দেখে নেবেন। কাজের ৫০ শতাংশ শেষ হলে তবেই ঠিকাদার টাকা পাবে। সিপিএমের কোনো কাজ নেই, তাই তারা রাত জেগে শুধু পোস্টার মারে।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়