নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী – নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগকে ঘিরে উত্তাল গোঘাট। রাস্তা সংস্কারে নিম্নমানের আর পর্যাপ্ত নয় এমন সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। এমন অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল গ্রাম। এমনকি শুক্রবার স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় গাছের ডাল ফেলে বিক্ষোভ দেখান। একই সঙ্গে তাঁরা সংস্কারের কাজ বন্ধ করে দেন।

সূত্রের খবর , প্রায় ১০ বছর এই রাস্তার সংস্করণ হয়নি। তবে যখন অন্যান্য রাস্তা ঠিক হচ্ছিল গোঘাটের কুমুড়শা পঞ্চায়েতের চকহরি গ্রামে ৩ কিমি রাস্তা সংস্কারের জন্য রাবিশ ফেলা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় অঞ্চল সভাপতির নেতৃত্বে ঠিকাদার সেই রাবিশের একটি অংশ সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে গিয়েছেন। ফলে রাস্তা মেরামতের কাজে পর্যাপ্ত সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে না। তাই এলাকবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ দেখান। শুক্রবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় গাছের ডাল ফেলে বিক্ষোভ দেখান। আর শুধু তাই নই রাস্তার কাজও বন্ধ করে দেন তারা।

বিক্ষোভকারী স্থানীয় বাসিন্দা শেখ মোশারফ হোসেন বলেন,“এই রাস্তাটা দীর্ঘদিন আগে পিচ করার কথা ছিল। আমরা বারবার সরকারের কাছে আবেদন জানালেও কোনো লাভ হয়নি। বিগত ১০ বছরে এই রাস্তার সংস্করণ হয়নি। অনেক আবেদনের পর শেষমেষ আশ্বাস দেয় যে রাস্তা ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে রাস্তা সংস্কারের কাজে খারাপ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। আর অনেক জিনিস ট্রাক্টরে করে অন্য জায়গায় জিনিস পাঠানো হচ্ছে। আমরা চাই , পর্যাপ্ত আর ভালো মানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হোক। এছাড়া এই রাস্তা পিচের তৈরি করারও দাবি জানাচ্ছি।”

অন্যদিকে, ঠিকাদার জাহির সুলতান অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা জানান,“কোনো মাল অন্য কোথাও যায়নি। যে সামগ্রী দেওয়া হয়েছে , সেটাই ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও কোনও গাফিলতি নেই। এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। পরিকল্পনা মতোই রাস্তার কাজ চলছে। অঞ্চল সভাপতি এসে সাঁওতাল পারায় ১০ বস্তা মাল দেয় কারণ ওদের কলতলা গর্ত হয়ে গেছে। আমাকে ৭০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল বলে কাজ শুরু করেছিলাম। কিছু মাল এই রাস্তা করার পর বেঁচে যাবে বলেই আমি ওই পাড়ায় দিয়েছিলাম।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়