নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - কয়েকদিনের আতঙ্ক ও অস্থিরতার পর অবশেষে নিরাপদে নিজের গ্রামে ফিরে এসেছেন বাঁকুড়ার পরিযায়ী শ্রমিকরা। নেপালে চলমান রাজনৈতিক অশান্তি ও কার্ফুর কারণে তারা কার্যত কয়েকদিন বন্দি অবস্থায় ছিলেন। কারখানায় বেরোনোর কোনো সুযোগ ছিল না। আতঙ্কে ভয়ে দিন কাটছিল শ্রমিকদের।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, কার্ফু কিছুটা শিথিল হতেই নিজ উদ্যোগে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তারা। কেউ পায়ে হেঁটে সীমান্ত অতিক্রম করেন, কেউ বা বাড়তি খরচে গাড়ি ভাড়া করে বীরগঞ্জ থেকে সীমান্তে পৌঁছান। সীমান্ত পার হওয়ার পর ট্রেনে চড়ে অবশেষে আজ বাঁকুড়ার নিজ গ্রামে ফিরেছেন। দেশে ফিরেই তারা স্বাভাবিকভাবে আনন্দিত ও স্বস্তিবোধ করছেন।
বাঁকুড়ার একসময় বিখ্যাত কাঁসা বাসন শিল্প আজ ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন কারণে এই শিল্পে কর্মরত দক্ষ শ্রমিকদের অনেকেই পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে নেপালের বীরগঞ্জ, কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় কাজ করতে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি নেপালে রাজনৈতিক অশান্তি ও কার্ফুর কারণে বিপাকে পড়েন বাঁকুড়ার হীড়বাঁধ ব্লকের মলিয়ান,সিমলিপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগরসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক শত পরিযায়ী শ্রমিক।নেপালে কয়েকদিনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর নিরাপদে দেশে ফিরতে পেরে শ্রমিকরা স্বাভাবিকভাবেই আনন্দিত। তারা জানিয়েছেন, নিজের গ্রামে ফিরে আসার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

বাঁকুড়ার কাঁসা শিল্পের কারিগর দিপেন কর্মকার জানালেন, “প্রায় ২০ বছর ধরে নেপালে কাঁসার বাসনপত্রের কাজ করতাম। আমরা বর্ডারের কাছে থাকায় ফিরতে তেমন অসুবিধা হয়নি। আধার-সহ সমস্ত পরিচয়পত্র থাকায় সেনা চেকিংয়ের পরেই দেশে ফিরতে পেরেছি। কিন্তু কাঠমান্ডু সংলগ্ন এলাকায় থাকা ১০০–১৫০ জন শ্রমিকের পক্ষে বেরোনো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সরকারের কাছে একটাই অনুরোধ, ওদেরও যেন নিরাপদে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়।”
মন্টু কর্মকার, আরেক পরিযায়ী শ্রমিক, ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন। তাঁর ভাষায়, “চারদিকে আগুন, দাঙ্গা, মারপিট। মনে হচ্ছিল আর বাঁচব না। কারখানা থেকে মাত্র দুঘণ্টার ছুটি পেয়েছিলাম। সেই সুযোগে গাড়ি ভাড়া করে বর্ডার পর্যন্ত যাই, তারপর ২ থেকে ৪ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে সীমান্ত পার করি। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ ছিল। অবশেষে বাড়ি ফিরতে পেরে এখন স্বস্তি পাচ্ছি।”

সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়