নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল ঘট বিসর্জন। শতাব্দী প্রাচীন এই প্রথাকে কেন্দ্র করে ভোর থেকেই মুখরিত হয়ে ওঠে শহরজুড়ে।

ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন ভক্তরা। সার্বজনীন ও বারোয়ারি ক্লাবগুলির উদ্যোগে সাজানো মঙ্গল ঘট পালকিতে করে বের হয় শোভাযাত্রায়, শহরের অলিগলি পেরিয়ে শেষ হয় নদীতীরে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ঢল নামায় রাস্তাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। নারী, পুরুষ, শিশু সব বয়সের মানুষ মেতে ওঠেন আনন্দ ও ভক্তির আবেশে।

প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর এই দিনে মঙ্গল ঘট বিসর্জনকে ঘিরে শহরের সংস্কৃতিতে যোগ হয় এক অন্য রকম রঙ।

প্রশাসনের তরফেও ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শোভাযাত্রা চলাকালীন নজরদারিতে ছিলেন বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী, সিভিল ডিফেন্স ও স্বেচ্ছাসেবীরা। শহরের বিভিন্ন ঘাটে ছিল আলোকসজ্জা, পানীয় জল ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা।

বেলা গড়াতেই ঢাকের তালে তালে নদীতীরে জমে ওঠে ভক্তদের মেলা। উৎসবের শেষে মঙ্গল ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী জগদ্ধাত্রীকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা , আগামী বছর আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে ফিরে আসুক মাতৃ আরাধনা এটাই সকলের কাম্য।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়