নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - রাজ্যে পরপর নারী নির্যাতনের ঘটনায় যখন ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে , তখন বিজেপি মহিলা মোর্চা রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। দুর্গাপুর মেডিকেল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনার পর শনিবার থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রতিবাদে নামে বিজেপির মহিলা শাখা। তবে চুঁচুড়া থানায় আয়োজিত ঘেরাও কর্মসূচিতে দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। জমায়েত ছিল কার্যত হাতেগোনা।
সূত্রের খবর , রবিবার দুপুর ১ টার সময়সূচি থাকলেও , কর্মীদের অনুপস্থিতির কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর শুরু হয় কর্মসূচি। শেষ পর্যন্ত থানার সামনে সাত আটজন মহিলা মোর্চা কর্মী মাটিতে বসে বিক্ষোভ দেখান। হাতে প্ল্যাকার্ড , মুখে স্লোগান। কিছুক্ষণ এইভাবেই চলে আন্দোলন। পরে কর্মসূচি স্থগিত করে তারা সেখান থেকে সরে যান। তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে , রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের ডাকে এমন অল্প জমায়েত কি বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা নয়? ভোটের মাত্র কয়েক মাস আগে এই ধরণের নিম্ন উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলের অন্দরেও।
নারী নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যজুড়ে উত্তাপ থাকলেও , বিজেপির আন্দোলনে লোকসমাগমের অভাব তাদের কৌশল সহ সংগঠনের শক্তি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। এখন দেখার , আগামী দিনে এই ইস্যুকে ঘিরে বিজেপি কতটা জোরালোভাবে রাজ্যে নিজেদের সংগঠনকে চাঙ্গা করতে পারে।
বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সহ সভানেত্রী পলি ঘোষ এপ্রসঙ্গে জানান , “এই রাজ্যে মহিলাদের কোনও নিরাপত্তা নেই। কর্মস্থলে যেতে আজও ভয় লাগে। দুর্গাপুর , আরজি কর , কসবা। একটার পর একটা জায়গায় ছাত্রীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। তাই প্রতিবাদ করছি। তবে অনেক কর্মী এখন বিভিন্ন বিধানসভা ও মণ্ডলে বিক্ষোভে ব্যস্ত থাকায় এখানে উপস্থিত হতে পারেননি।”
এদিকে , ঘটনাকে ঘিরে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলও। হুগলি জেলার শ্রীরামপুর সাংগঠনিক যুব তৃণমূল সভানেত্রী প্রিয়াঙ্কা অধিকারী। তিনি কটাক্ষ করে বলেন , “আগে নিজেদের ডাকা কর্মসূচিতে লোক জোগাড় করুক , তারপর মুখ্যমন্ত্রীকে সরানোর স্বপ্ন দেখুক। ওদের সেই স্বপ্ন কোনওদিনও সফল হবে না। কারণ ওরা বাংলা বিরোধী , বাঙালি বিরোধী দল।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়