নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - মসজিদের লাউডস্পিকার খোলা মামলার মাঝেই উত্তপ্ত হাই কোর্ট। বর্ষীয়ান সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্রের তীব্র বাদানুবাদ হয়। একে অপরকে কটাক্ষ করতে গিয়ে উঠে আসে 'চটিচাটা' ও 'বুটচাটা' শব্দ। পরিস্থিতি সামলাতে শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি চলছিল। মামলাকারী ডেনিস ফারুকির দাবি, একাধিক এলাকায় পুলিশ মৌখিক চাপ দিচ্ছে। মসজিদ থেকে প্রায় ৪০০০ লাউডস্পিকার খুলতে বলা হচ্ছে। শ্রীরামপুর, রিষড়া, চাঁপদানি-সহ ভদ্রেশ্বরের নামও উঠে আসে। প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মামলাকারী।
মামলাকারী আরও জানান, ১৯৯৯ সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল। নির্দিষ্ট শব্দসীমা মেনে মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি ছিল। আজানের সময় মাইক্রোফোন ব্যবহারের বিষয়টিও উঠে আসে। সেই পুরনো নির্দেশের প্রসঙ্গেই বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সওয়াল হয়। শুনানি চলাকালীন কল্যাণ ও এজির মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। কল্যাণের দাবি, তাঁকে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ করেছিলেন এজি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এজি তাঁকে 'চটি চেটে খায়' বলেন।
পালটা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান সাংসদ-আইনজীবী। তিনি এজিকে নিশানা করে পালটা কটাক্ষ করেন। বলেন, 'উনি তো শুভেন্দু অধিকারীর বুট চেটে খাওয়া অ্যাডভোকেট জেনারেল'। এজলাসের বাইরে এসেও নিজের অবস্থান জানান কল্যাণ। তাঁর দাবি, সংসদে মোদি ও শাহের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। সেই কারণে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয় বলে দাবি করেন। রাজ্য সরকারের আইনজীবীদের বিরুদ্ধেও সরব হন তিনি। অপ্রাসঙ্গিক ও উলটোপালটা অভিযোগ ওঠে বলে দাবি তাঁর। সংবেদনশীল মামলায় রাজ্য সরকার চাপে রয়েছে বলেও জানান।
কল্যাণ আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় অনেকে জেলে যাচ্ছেন। পরে তাঁরা জামিনে মুক্তিও পেয়ে যাচ্ছেন। তাঁর মতে, সেই চাপ থেকেই এমন আচরণ হয়েছে। এরপর এজিকে সরাসরি আক্রমণ করেন তিনি। দেওয়ানি আদালতের আইনজীবী সংবিধান কতটা বুঝবেন, প্রশ্ন তোলেন। তাঁর আরও বক্তব্য, সংবিধান সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও সমস্যা রয়েছে। শুধুমাত্র টেকনিক্যাল বিষয় তুলে সময় নষ্টের চেষ্টা চলছে।
এমন মন্তব্য ঘিরে আদালত চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হস্তক্ষেপ করেন। তাঁর হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এদিকে লাউডস্পিকার সংক্রান্ত মূল মামলাটিও আদালতে ওঠে। পুলিশ সত্যিই মাইক সরাতে চাপ দিয়েছে কি না। কোথাও জোর করে সেগুলি খুলে দেওয়া হয়েছে কি না। প্রশাসনের তরফে কোনও হস্তক্ষেপ হয়েছিল কি না। এসব বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত।
আগামী মঙ্গলবার মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেদিন পুলিশকে পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে হবে। কোথায় কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, জানাতে হবে। লাউডস্পিকার সরানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা কী। সেই প্রশ্নগুলির উত্তরেই এখন নজর আদালতের।
পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ককে ওড়িশা থেকে গ্রেফতার, প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তদন্তে নতুন মোড়
ভোট-পরবর্তী হিংসা, মারধর ও হুমকির ঘটনায় প্রাক্তন যুব তৃণমূল সভাপতিকে ধরল পুলিশ
২০০ কোটির মালিক টুলুর খোঁজে গ্রামে গ্রামে মাইকিং পুলিশের, বাড়িতেও লাগানো হল নোটিস
ভিতর থেকে বন্ধ ছিল দরজা, ডাকাডাকিতেও মেলেনি সাড়া, ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ খুঁজছে পুলিশ
১৭ আগস্ট থেকে যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে অর্থ
মমতা জমানার শংসাপত্র নিয়ে হাইকোর্টের বড় সিদ্ধান্ত
নির্দিষ্ট দিনে খুলবে অগ্রিম টিকিটের সুযোগ
আগামী ২০ আগস্ট রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ
নতুন নির্দেশে বদলাতে হবে পুরনো প্যাকেট
অগাস্ট থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন ভাতা
মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে
তথ্য-সংস্কৃতি ও ক্রীড়া-যুব কমিটির চেয়ারম্যান রুদ্রনীল ঘোষ
চিকিৎসার সুবিধা পেতে জেনে নিন সহজ পদ্ধতি
১৪ আগস্ট মেয়েদের মিছিলের আহ্বান অগ্নিমিত্রার
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের