নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ - হাসপাতাল রোগীদের জন্য, কিন্তু সেখানে নাকি চলছে নেতার দাপট! ফের মালদহ মেডিকেল কলেজে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সোমবার গভীর রাতে হাসপাতালে ঢুকে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির জেলা সহসভাপতি ও ইংলিশবাজার পৌরসভার এক কাউন্সিলরের স্বামী জয়ন্ত বসু তাণ্ডব চালান। অভিযোগ, তিনি গ্রুপ-ডি সুপারভাইজারের অফিসে ঢুকে ডিউটিতে থাকা দুই কর্মী- সাহিম বিশ্বাস ও বিশ্বজিৎ সিংহকে বেধড়ক মারধর করেন এবং অস্থায়ী কর্মীদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা তোলার দাবি জানান। টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকিও দেন অভিযুক্ত নেতা।

বর্তমানে একটি দিল্লিভিত্তিক বেসরকারি সংস্থার অধীনে প্রায় ১৩৫ জন গ্রুপ-ডি কর্মী কাজ করছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৫০ জন মহিলা। সংস্থাটি চলতি বছরের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণ করে। ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্মীরা।

আক্রান্ত কর্মী বিশ্বজিৎ সিংহ বলেন, “রাত প্রায় ১টা নাগাদ দরজা ভেঙে ঢুকে কলার ধরে মারধর শুরু হয়। ৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্ক নিয়ে ডিউটি করতে হচ্ছে।”

হাসপাতালের মহিলা স্টাফ রত্না রায়ের কথায়, “এখানে ৫০-৬০ জন মহিলা কর্মী রয়েছেন। আজকের ঘটনার পর আমাদের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। রাতে যদি ব্লাড নিতে যেতে হয়, আর এমন কিছু ঘটে, তাহলে দায় নেবে কে?”

তবে তৃণমূল শ্রমিক নেতা জয়ন্ত বসু অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “আমার নামে কেউ ইচ্ছে করে গুজব ছড়াচ্ছে। অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ নিয়ে কিছু জটলা চলছিল, তারই সুযোগ নিচ্ছে কিছু মানুষ।”
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা কটাক্ষ করে বলেন, “মা-মাটি-মানুষের নামে তৃণমূল যা করে আসছে, এবারও তার পুনরাবৃত্তি। ট্রেড ইউনিয়ন নেতার এমন অত্যাচার আমরা বরদাস্ত করব না, প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়