নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - শুদ্ধ মন্ত্রোচ্চারণ আর দেবী আরাধনায় শুক্রবার ভোরবেলা থেকেই শুরু হয় জগদ্ধাত্রী পুজো। মাতৃমন্দিরে সকাল ৫টা ৩০ মিনিটে সূচনা হয় পুজোপাঠের। বেলা সাড়ে তিনটের সময় অনুষ্ঠিত হবে হোম, আর সন্ধ্যায় হবে ঐতিহ্যবাহী সন্ধ্যারতি। দেশ-বিদেশের হাজারো ভক্ত, পূণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছেন মায়ের আশীর্বাদ পেতে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, দীর্ঘ ১৪৯ বছর ধরে অপরিবর্তিত এই পুজোর সূচনা হয়েছিল ১৮৭৭ সালে, দেবীর আদেশে মা সারদার মা শ্যামসুন্দরী দেবীর হাত ধরে। জনশ্রুতি অনুযায়ী, এক সময় গ্রামের কালী পুজোর জন্য তাঁর জমিয়ে রাখা নৈবেদ্য পুরোহিত গ্রহণ না করায়, অপমানে ভেঙে পড়েছিলেন শ্যামসুন্দরী দেবী।

কালী পুজোর রাতে নৈবেদ্যের সামনে বসে অঝোরে কাঁদতে থাকলে, সেই সময় তাঁর সামনে আবির্ভূতা হন এক রক্তবর্ণা দেবীমূর্তি- স্বয়ং জগদ্ধাত্রী। দেবী তাঁকে আশীর্বাদ দিয়ে বলেন, “কাঁদছ কেন মেয়ে? তোমার নৈবেদ্য আমি গ্রহণ করব।” এরপরই নিজের বাড়িতেই শুরু করেন জগদ্ধাত্রী পুজো।
প্রথমদিকে ছোট আকারে আয়োজিত হলেও, ধীরে ধীরে তা রূপ নেয় মহা সমারোহে। মা সারদা নিজেও জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই পুজো করে এসেছেন। তাঁর পরও থেমে যায়নি সেই ঐতিহ্য । আজও মাতৃমন্দিরের উদ্যোগে নবমী তিথিতেই সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী , এই তিন দিনের পুজো একসঙ্গে হয়।
মা সারদার পবিত্র জন্মভিটের এই পুজো এখন এক ঐতিহাসিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। শতাব্দী পেরিয়েও আজো মাতৃ আরাধনায় মুখর জয়রামবাটী। উপচে পড়া ভক্ত সমাগমে মাতৃমন্দিরের চারিদিক আজ ভরে উঠেছে ভক্তির আবহে। মায়ের গায়ে মায়ের পুজোয় আবারও ফিরে এসেছে ১৪৯ বছরের অমলিন ঐতিহ্য।

দর্শনার্থী তৃষা দাস জানান, “ অনেকদিন ধরে এই জায়গাটার কথা শোনার পর আসার ইচ্ছে হল। আজ মায়ের টানেই আসতে পেরেছি। দর্শন করেছি, খুব ভালো লাগছে।”
ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া সুর মমতার
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়