নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - ভোররাতের নীরবতা ভেঙে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় কেঁপে উঠল জাতীয় সড়ক। দ্রুতগতিতে ছুটে আসা একটি মারুতি গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে সামনে চলা একটি টোটোকে। তীব্র সংঘর্ষে মুহূর্তের মধ্যে উল্টে যায় টোটোটি । ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান দুজন যাত্রী। গুরুতর জখম হন টোটোচালকসহ আরও কয়েকজন যাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটে মালদহ থেকে কালিয়াছকগামী রুটে জালালপুর ডাঙ্গা এলাকায়। টোটোচালক ও যাত্রীদের ভয়াবহ রক্তাক্ত অবস্থায় ছিটকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশও সেখানে পৌঁছায়। আহতদের মধ্যে অন্তত চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মারুতি গাড়িটি এত দ্রুতগতিতে আসছিল যে ধাক্কা লাগার আগেই সেটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়ির ভেতর থেকে মদ এবং অন্যান্য নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার হয়েছে। অনেকের ধারণা, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, আইনত জাতীয় সড়কে টোটোর চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও প্রতিদিনই নির্বিঘ্নে টোটো চলছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। একাধিকবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ। এই দুর্ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই আরও প্রকট করে তুলেছে।

ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময়ের জন্য থমকে যায় ওই সড়কের যান চলাচল। স্থানীয়রা পুলিশের সঙ্গে মিলে আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেন। মৃতরা শপাশের গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়। এদিকে, পুলিশ গাড়িটি আটক করেছে এবং চালক ও সহযাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তদন্তকারীরা গাড়ির গতি, চালকের নেশাগ্রস্ত থাকার বিষয় এবং টোটোর চলাচল সবদিক খতিয়ে দেখছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, আইনত জাতীয় সড়কে টোটোর চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও প্রতিদিনই নির্বিঘ্নে টোটো চলছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। একাধিকবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ। এই দুর্ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই আরও প্রকট করে তুলেছে।

প্রতক্ষদর্শী আব্দুল মতিশেখ জানান, “সকাল ৬ টা নাগাদ হঠাৎ রাস্তার পাশে একটা বিকট শব্দ হয়। গিয়ে দেখি একটা বৃদ্ধলোকের টোটোকে ধাক্কা মারে বেপরোয়া গতিতে আসা মারুতিটি। সঙ্গে সঙ্গে দুজন ওখানেই মারা যায়। ৪ জন যাত্রী ছিলো। তারা কালিকাপুর যাচ্ছিল ডাক্তার দেখাতে।”

আরেক বাসিন্দা অশিকুল শেখ জানান, “অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় ছিলো মারুতি ভ্যানের ড্রাইভারটি। গাড়ির গতি এতটাই তীব্র ছিলো যে প্রায় ৭০ মিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়ে টোটোটিকে মারে। আহতরা এখনও হসপিটালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। তিনি জানান, নিহত দুই যাত্রী বাবুনগ্রামের ও আহত ৪ যাত্রী সংলগ্ন এলাকা বরমত্তরের বাসিন্দা। নিহতদের মধ্যে একজন আমার সম্পর্কে শাশুড়ি হয়।”
ফারাক্কার পর চাকুলিয়ায় তুমুল উত্তেজনা
নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অমান্য করে বেপরোয়া কাজের অভিযোগ BLOর বিরুদ্ধে
রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম থেকে হাতেখড়ি দেবদীপের
ইচ্ছাকৃতভাবে খুনের অভিযোগ গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে
এলাকাবাসীদের দাবি রাতের অন্ধকারে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করা হয়েছে
বৃহস্পতিবার থেকে নন্দীগ্রামে শুরু হচ্ছে সেবাশ্রয় ক্যাম্প
বুধবার বৃদ্ধকে SIR শুনানির জন্য ডাকা হয়
পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিধায়ক মনিরুল ইসলাম
পুরপিতাহীন পুরসভায় দীর্ঘদিন ধরে বেতন না মেলায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন সাফাইকর্মীরা
মুর্শিদাবাদে SIR নিয়ে বিক্ষোভ BLO দের
তিন যুবকের বিরুদ্ধে নৃশংস অত্যাচারের অভিযোগ
চোখের সামনে নদীগর্ভে তলিয়ে গেল ফসলসহ একাধিক চাষযোগ্য জমি
পুণ্যলগ্নের আগেই ৬০ লক্ষ পুণ্যার্থী, দাবি মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের
৩০০ বেশি ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন
আগামী ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো