নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - হনুমান জয়ন্তীর রেশ কাটতে না কাটতেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছাই হয়ে গেল একাধিক দোকান। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভাটপাড়া পৌরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে। খবর পেয়ে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্রের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাঁকিনাড়া মাদ্রাল বজরংবলী মন্দির চত্বরে সারিবদ্ধভাবে অনেক দোকান রয়েছে। বহু মানুষ সেখানে ব্যবসা চালিয়েই নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করেন। অন্যান্য দিনের মতোই বৃহস্পতিবার রাতে কাজ সেরে সবাই বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। রাত ৩টে নাগাদ এলাকাবাসীর নজরে আসে লেলিহান শিখা। প্রতিবেশীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও শিখা দ্রুত পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল বাহিনী। তবে ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় ১০টি দোকান।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার গীতা সিকদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, 'রাত ৩টে নাগাদ ফোন পেয়ে ছুটে আসি। এসে দেখি সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অনেক টাকার ক্ষতি হলো। রামনবমী ও হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে ধার করে মাল তুলেছিলাম। কয়েক দিনের মধ্যেই সেই অর্থ মেটানোর কথা ছিল। এখন আমি একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমরা চাই সরকার আমাদের সহায়তায় এগিয়ে আসুক'।
বিজেপি প্রার্থী ডঃ রাজেশ কুমার বলেন, 'প্রচারের মাঝেই খবর পেয়ে এখানে ছুটে আসি। গতকাল উৎসব উদযাপনের পরেই এই অঘটন। ব্যবসায়ীদের প্রচুর লোকসান হয়েছে। রাতে কীভাবে আগুন লাগল, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। কোনো দুষ্কৃতী জড়িত কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা দরকার। দমকল বিভাগকে তদন্তের অনুরোধ জানাব। আমরা দুর্গতদের পাশে থাকব, প্রশাসনকেও একই আবেদন জানাচ্ছি'।

অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ শ্যাম বলেন, 'ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পৌরসভার চেয়ারম্যান ইতিমধ্যেই এলাকা পরিদর্শন করে পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা নিচ্ছেন। মন্দির কমিটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বিজেপি একটি মিথ্যাবাদী দল যাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। মন্দিরের ধারে কেউ ইচ্ছে করে আগুন লাগাবে-এটি স্রেফ পাগলের প্রলাপ। মানুষের বিপদের মুহূর্তে সহায় হওয়া এখন সবচেয়ে জরুরি'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়