নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ভুলবশত বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকে পড়েছিলেন বাংলার ১৪ জন মৎস্যজীবী। এরপরই তাদের আটক করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাদের ট্রলারও। ঘটনার খবর ছড়াতেই উদ্বেগে পড়েছে মৎস্যজীবীদের পরিবার।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে। ‘এফবি শুভযাত্রা’ নামে একটি ভারতীয় ট্রলার কুলতলির সানকিজাহান থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে বেরিয়েছিল। ওই ট্রলারে মোট ১৪ জন মৎস্যজীবী ছিলেন, যাদের মধ্যে ২ জন কাকদ্বীপের, ২ জন হুগলীর এবং বাকিরা কুলতলি এলাকার বাসিন্দা। মাছ ধরার সময় অজান্তেই ট্রলারটি ভারতীয় জলসীমা অতিক্রম করে ফেলে। ঠিক তখনই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সেটিকে চিহ্নিত করে আটক করে নেয়। পরে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে ট্রলারটিকেও বাংলাদেশের মোংলার দিগরাজ নৌঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগ, আটক ট্রলারে থাকা প্রায় ১০ টন মাছ, যার মধ্যে ইলিশও ছিল, সেগুলি রাতেই মোংলার ফেরিঘাটে বিক্রি করা হয়েছে। আটক মৎস্যজীবীদের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রবল উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। আটক মৎস্যজীবীদের দ্রুত মুক্তির জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে মৎস্যজীবীদের পরিবার।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়